ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চীনের সহায়তায় বাংলাদেশে সামরিক ড্রোন উৎপাদনের যুগের সূচনা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 5

বাংলাদেশ এবার নিজস্ব সামরিক ড্রোন বা ‘মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি)’ উৎপাদনের পথে পদার্পণ করল।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী)ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন (সিইটিসি) ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি জিটুজি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি অত্যাধুনিক ইউএভি উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন করা হবে, যেখানে প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্প দক্ষতা বৃদ্ধি এবং যৌথ প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, বিমান বাহিনী প্রাথমিকভাবে মিডিয়াম আল্টিটিউড লো এন্ডুরেন্স (মেল) ড্রোন ও ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং (ভিটিওএল) ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজনের সক্ষমতা অর্জন করবে।

এসব ড্রোন সামরিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চুক্তির ফলে দেশীয় ইউএভি উৎপাদনে পূর্ণ স্বনির্ভরতা, দক্ষ অ্যারোস্পেস কর্মশক্তি গড়ে তোলা এবং জাতীয় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সিইটিসি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি অংশ নেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চীনের সহায়তায় বাংলাদেশে সামরিক ড্রোন উৎপাদনের যুগের সূচনা

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৬:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ এবার নিজস্ব সামরিক ড্রোন বা ‘মনুষ্যবিহীন আকাশযান (ইউএভি)’ উৎপাদনের পথে পদার্পণ করল।মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারী)ঢাকা সেনানিবাসে বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও চায়না ইলেকট্রনিক্স টেকনোলজি গ্রুপ করপোরেশন (সিইটিসি) ইন্টারন্যাশনালের মধ্যে একটি জিটুজি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

এই চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে একটি অত্যাধুনিক ইউএভি উৎপাদন ও সংযোজন কারখানা স্থাপন করা হবে, যেখানে প্রযুক্তি হস্তান্তর, শিল্প দক্ষতা বৃদ্ধি এবং যৌথ প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিশ্চিত করা হবে।

আইএসপিআর জানিয়েছে, বিমান বাহিনী প্রাথমিকভাবে মিডিয়াম আল্টিটিউড লো এন্ডুরেন্স (মেল) ড্রোন ও ভার্টিক্যাল টেক-অফ অ্যান্ড ল্যান্ডিং (ভিটিওএল) ড্রোন উৎপাদন ও সংযোজনের সক্ষমতা অর্জন করবে।

এসব ড্রোন সামরিক কর্মকাণ্ড ছাড়াও মানবিক সহায়তা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

চুক্তির ফলে দেশীয় ইউএভি উৎপাদনে পূর্ণ স্বনির্ভরতা, দক্ষ অ্যারোস্পেস কর্মশক্তি গড়ে তোলা এবং জাতীয় প্রযুক্তিগত অগ্রগতি অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সিইটিসি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিনিধি অংশ নেন।