ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:৩২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / 115

সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চীন সফর শেষে গত বুধবার রাতে দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সফরে সেনাপ্রধান পিপলস লিবারেশন আর্মির স্থল বাহিনীর পলিটিক্যাল কমিশার জেনারেল চেন হুইসহ উচ্চপদস্থ চীনা সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। ২২ আগস্ট তিনি পিপলস লিবারেশন আর্মির সদর দপ্তরে পৌঁছালে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সেনাপ্রধান চীনা পলিটিক্যাল কমিশনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের প্রত্যাবর্তনে সহায়তা এবং বাংলাদেশের সামরিক শিল্পের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা করেন।

২৩ আগস্ট তিনি চীনের নোরিনকো গ্রুপের প্রেসিডেন্ট চেন ডেফাঙয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন নোরিনকো গ্রুপের সামরিক সরঞ্জামের আপগ্রেডেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়।

সেনাপ্রধান পিপলস লিবারেশন আর্মির একাডেমি অব আর্মড ফোর্সেসের বেইজিং ক্যাম্পাসের প্রশিক্ষণ সুবিধা, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন গবেষণাগার পরিদর্শন করেন। উল্লেখযোগ্য, আন্তর্জাতিক মানের এই একাডেমিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা কারিগরি প্রশিক্ষণ নেন।

সফরকালে তিনি বেইজিং ও শিয়াংয়ে নোরিনকো গ্রুপ, চায়না এরোস্পেস লং মার্চ ইন্টারন্যাশনাল কো. লি., অ্যাইশেঙ ইউএভি ফ্যাক্টরি ও অন্যান্য আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরির কারখানা পরিদর্শন করেন। সেনাবাহিনী প্রধান সরকারি সফরে ২০ আগস্ট চীন গমন করেছিলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

সর্বশেষ আপডেট ১২:৩২:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান চীন সফর শেষে গত বুধবার রাতে দেশে ফিরেছেন। বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সফরে সেনাপ্রধান পিপলস লিবারেশন আর্মির স্থল বাহিনীর পলিটিক্যাল কমিশার জেনারেল চেন হুইসহ উচ্চপদস্থ চীনা সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং দ্বিপক্ষীয় স্বার্থ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন। ২২ আগস্ট তিনি পিপলস লিবারেশন আর্মির সদর দপ্তরে পৌঁছালে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।

সেনাপ্রধান চীনা পলিটিক্যাল কমিশনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে দুই দেশের কৌশলগত সহযোগিতা, জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত মায়ানমার নাগরিকদের প্রত্যাবর্তনে সহায়তা এবং বাংলাদেশের সামরিক শিল্পের উন্নয়নে চীনের সহযোগিতা বিষয়ে আলোচনা করেন।

২৩ আগস্ট তিনি চীনের নোরিনকো গ্রুপের প্রেসিডেন্ট চেন ডেফাঙয়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন নোরিনকো গ্রুপের সামরিক সরঞ্জামের আপগ্রেডেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে আলোচনা হয়।

সেনাপ্রধান পিপলস লিবারেশন আর্মির একাডেমি অব আর্মড ফোর্সেসের বেইজিং ক্যাম্পাসের প্রশিক্ষণ সুবিধা, সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন গবেষণাগার পরিদর্শন করেন। উল্লেখযোগ্য, আন্তর্জাতিক মানের এই একাডেমিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারা কারিগরি প্রশিক্ষণ নেন।

সফরকালে তিনি বেইজিং ও শিয়াংয়ে নোরিনকো গ্রুপ, চায়না এরোস্পেস লং মার্চ ইন্টারন্যাশনাল কো. লি., অ্যাইশেঙ ইউএভি ফ্যাক্টরি ও অন্যান্য আধুনিক অস্ত্র ও গোলাবারুদ তৈরির কারখানা পরিদর্শন করেন। সেনাবাহিনী প্রধান সরকারি সফরে ২০ আগস্ট চীন গমন করেছিলেন।