ঢাকা ০৯:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চান্দিনায় ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ নিয়ে ব্যবসায়ী উধাও

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৪২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 105

চান্দিনায় ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ নিয়ে ব্যবসায়ী উধাও

কুমিল্লার চান্দিনায় ক্রেতা ও বন্ধকদাতাদের কোটি টাকার স্বর্ণ এবং নগদ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন পর্শীয়া জুয়েলার্সের মালিক নারায়ণ কর্মকার (প্রদীপ)। গত ১০ দিন ধরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে চান্দিনা উপজেলার জোয়াগ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর নতুন বাজারে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি এবং লোভ সামলাতে না পারায় তিনি সব মিলিয়ে ৪ কোটি টাকারও বেশি স্বর্ণ ও টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন।

ভুক্তভোগী কৈলাইন গ্রামের ছফিউল্লাহর ছেলে শরীফ জানান, নারায়ণ কর্মকার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মনোরঞ্জন কর্মকারের ছেলে। প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি এই বাজারে ব্যবসা করে আসছিলেন। শরীফ ৪ লাখ টাকা ঋণ ও স্ত্রীর ২ ভরি স্বর্ণ গচ্ছিত করেছিলেন, যা ব্যবসায়ী আত্মসাৎ করেছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পর্শীয়া জুয়েলার্সের শাটার ও গেইট তালাবদ্ধ রয়েছে। ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে কাউকেই পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী, ১ ছেলে ও ১ মেয়ে এখনও শ্বশুরবাড়ি পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার গোকর্ণঘাটে অবস্থান করছেন। তাদের মাধ্যমে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী বরুণ সাহা বলেন, তিনি এবং আরও ৫০ জন সমিতির সদস্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট টাকা জমা দিতেন। ওই ব্যবসায়ী সমিতির টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে গেছেন। অন্যান্য ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন, আবুল হোসেন, এরশাদ আলী, বেলাল গাজীসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

চান্দিনা থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

চান্দিনায় ৪ কোটি টাকার স্বর্ণ নিয়ে ব্যবসায়ী উধাও

সর্বশেষ আপডেট ০১:৪২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫

কুমিল্লার চান্দিনায় ক্রেতা ও বন্ধকদাতাদের কোটি টাকার স্বর্ণ এবং নগদ টাকা নিয়ে উধাও হয়েছেন পর্শীয়া জুয়েলার্সের মালিক নারায়ণ কর্মকার (প্রদীপ)। গত ১০ দিন ধরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে চান্দিনা উপজেলার জোয়াগ ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর নতুন বাজারে।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধি এবং লোভ সামলাতে না পারায় তিনি সব মিলিয়ে ৪ কোটি টাকারও বেশি স্বর্ণ ও টাকা নিয়ে পালিয়ে গেছেন।

ভুক্তভোগী কৈলাইন গ্রামের ছফিউল্লাহর ছেলে শরীফ জানান, নারায়ণ কর্মকার লক্ষ্মীপুর গ্রামের মনোরঞ্জন কর্মকারের ছেলে। প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি এই বাজারে ব্যবসা করে আসছিলেন। শরীফ ৪ লাখ টাকা ঋণ ও স্ত্রীর ২ ভরি স্বর্ণ গচ্ছিত করেছিলেন, যা ব্যবসায়ী আত্মসাৎ করেছেন।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, পর্শীয়া জুয়েলার্সের শাটার ও গেইট তালাবদ্ধ রয়েছে। ব্যবসায়ীর বাড়িতে গিয়ে কাউকেই পাওয়া যায়নি। তবে তার স্ত্রী, ১ ছেলে ও ১ মেয়ে এখনও শ্বশুরবাড়ি পার্শ্ববর্তী ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার গোকর্ণঘাটে অবস্থান করছেন। তাদের মাধ্যমে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

ভুক্তভোগী বরুণ সাহা বলেন, তিনি এবং আরও ৫০ জন সমিতির সদস্য প্রতিদিন নির্দিষ্ট টাকা জমা দিতেন। ওই ব্যবসায়ী সমিতির টাকা ও স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে গেছেন। অন্যান্য ব্যবসায়ী বিল্লাল হোসেন, আবুল হোসেন, এরশাদ আলী, বেলাল গাজীসহ অর্ধশতাধিক ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

চান্দিনা থানার ওসি জাবেদ উল ইসলাম জানান, এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ করেননি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।