ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
মসজিদ নির্মাণের গুজবের পর

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিরাপত্তা জোরদার

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • / 233

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিরাপত্তা জোরদার

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি এক যুবক তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে জানিয়েছিলেন, পাহাড়টিতে মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এই পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় প্রশাসন তৎপর হয়েছে।

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে একটি প্রাচীন মন্দির রয়েছে, যা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ জানায়, মন্দির এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি ও সদস্য বাড়ানো হয়েছে এবং বিশেষ নজরদারি চলছে।

পোস্টটি করার পর যুবক এম এম সাইফুল ইসলাম স্থানীয় প্রশাসন ও আলেম সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পর পোস্টকারী তার ভুল বুঝে ফেসবুক পোস্টটি সরিয়ে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে সাইফুল ইসলামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় ছিল। সমালোচনা শুরু হওয়ার পর গত রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফখরুল ইসলাম পাহাড়ে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, মন্দির এলাকায় কোনো সমস্যা নেই এবং এখানে মসজিদ নির্মাণের অনুমতি নেই।

চন্দ্রনাথ ধাম মন্দিরটি মোহন্ত এস্টেটের অধীনে পরিচালিত স্রাইন কমিটির তত্ত্বাবধানে। কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি অপূর্ব ভট্টাচার্য বলেন, এটি তীর্থস্থান, পর্যটন কেন্দ্র নয়। মসজিদ নির্মাণের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মসজিদ নির্মাণের গুজবের পর

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিরাপত্তা জোরদার

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪৯:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের চন্দ্রনাথ পাহাড়ে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। সম্প্রতি এক যুবক তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্ট দিয়ে জানিয়েছিলেন, পাহাড়টিতে মসজিদ নির্মাণ করা হচ্ছে। এই পোস্ট ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় প্রশাসন তৎপর হয়েছে।

চন্দ্রনাথ পাহাড়ে একটি প্রাচীন মন্দির রয়েছে, যা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার সীতাকুণ্ড থানার পুলিশ জানায়, মন্দির এলাকায় পুলিশ ফাঁড়ি ও সদস্য বাড়ানো হয়েছে এবং বিশেষ নজরদারি চলছে।

পোস্টটি করার পর যুবক এম এম সাইফুল ইসলাম স্থানীয় প্রশাসন ও আলেম সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন। সীতাকুণ্ড থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুজিবুর রহমান জানিয়েছেন, বিষয়টি স্পষ্ট হওয়ার পর পোস্টকারী তার ভুল বুঝে ফেসবুক পোস্টটি সরিয়ে দিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাতে সাইফুল ইসলামের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় ছিল। সমালোচনা শুরু হওয়ার পর গত রোববার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফখরুল ইসলাম পাহাড়ে গিয়ে পরিস্থিতি পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, মন্দির এলাকায় কোনো সমস্যা নেই এবং এখানে মসজিদ নির্মাণের অনুমতি নেই।

চন্দ্রনাথ ধাম মন্দিরটি মোহন্ত এস্টেটের অধীনে পরিচালিত স্রাইন কমিটির তত্ত্বাবধানে। কমিটির জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি অপূর্ব ভট্টাচার্য বলেন, এটি তীর্থস্থান, পর্যটন কেন্দ্র নয়। মসজিদ নির্মাণের গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছিল।