ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ মানচিত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 226

‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ মানচিত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ নামে একটি মানচিত্র প্রকাশকে কেন্দ্র করে নয়াদিল্লি উদ্বিগ্ন। এই মানচিত্রটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদর্শিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে জয়শঙ্কর জানান, ভারতের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ভারতীয় রাজ্যসভায় কংগ্রেস নেতা রণদীপ সিং সুরজেওয়ালার এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি প্রদর্শনীতে এই মানচিত্র দেখানো হয়। এটি মধ্যযুগের বাংলার ঐতিহাসিক মানচিত্র বলে উল্লেখ করা হয়।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের সরকার এ বিষয়ে ভারতকে অবহিত করেছে যে, মানচিত্রটি কোনো বিদেশি সংস্থা বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গোষ্ঠীর প্রভাব বা পৃষ্ঠপোষকতায় নয়, বরং ইতিহাসভিত্তিক প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছিল।

ভারতের সরকারি ফ্যাক্টচেক প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাফ্যাক্ট’-এর বরাতে জয়শঙ্কর জানান, বাংলাদেশে ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ নামে কোনো সংগঠনের অস্তিত্ব নেই এবং এই বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, নয়াদিল্লি বাংলাদেশ সরকারের ব্যাখ্যা নথিভুক্ত করেছে এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি নিবিড়ভাবে নজরে রাখছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ মানচিত্র নিয়ে উদ্বিগ্ন নয়াদিল্লি

সর্বশেষ আপডেট ০৬:০৬:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ অগাস্ট ২০২৫

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ নামে একটি মানচিত্র প্রকাশকে কেন্দ্র করে নয়াদিল্লি উদ্বিগ্ন। এই মানচিত্রটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রদর্শিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে উল্লেখ করে জয়শঙ্কর জানান, ভারতের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ভারতীয় রাজ্যসভায় কংগ্রেস নেতা রণদীপ সিং সুরজেওয়ালার এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে জয়শঙ্কর বলেন, ২০২৫ সালের ১৪ এপ্রিল বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত একটি প্রদর্শনীতে এই মানচিত্র দেখানো হয়। এটি মধ্যযুগের বাংলার ঐতিহাসিক মানচিত্র বলে উল্লেখ করা হয়।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশের সরকার এ বিষয়ে ভারতকে অবহিত করেছে যে, মানচিত্রটি কোনো বিদেশি সংস্থা বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত গোষ্ঠীর প্রভাব বা পৃষ্ঠপোষকতায় নয়, বরং ইতিহাসভিত্তিক প্রদর্শনীর অংশ হিসেবে প্রদর্শিত হয়েছিল।

ভারতের সরকারি ফ্যাক্টচেক প্ল্যাটফর্ম ‘বাংলাফ্যাক্ট’-এর বরাতে জয়শঙ্কর জানান, বাংলাদেশে ‘সালতানাত-ই-বাংলা’ নামে কোনো সংগঠনের অস্তিত্ব নেই এবং এই বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও একই বার্তা দেওয়া হয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, নয়াদিল্লি বাংলাদেশ সরকারের ব্যাখ্যা নথিভুক্ত করেছে এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে বিষয়টি নিবিড়ভাবে নজরে রাখছে।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস