ঢাকা ০১:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোসাইরহাটে ৭ জেলের কারাদণ্ড, জাল জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক, শরীয়তপুর
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 132

গোসাইরহাটে ৭ জেলের কারাদণ্ড, জাল জব্দ

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ১০ কেজি ইলিশ জব্দ এবং ৭ জেলেকে আটক করা হয়। তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সানিয়া বিনতে আফজলের আদালতে এই রায় ঘোষণা করা হয়।

নদী ও সমুদ্রে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার তৃতীয় দিনে (৭ অক্টোবর) রাত ৩টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত পদ্মা নদীতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। জেলেদের উপস্থিতি টের পেয়ে অনেকেই পালিয়ে গেলেও ৭ জনকে আটক করে সাজা দেওয়া হয়।

দণ্ডিতরা হলেন—কুচাইপট্রি ইউনিয়নের ভিমখিল গ্রামের শাকিল (১৮), একই ইউনিয়নের বসকাঠি গ্রামের খলিল (৩৫), ভাঙ্গা উপজেলার কুচাইপট্রি ইউনিয়নের চরশিমুলিয়া গ্রামের ছায়েদ হাওলদার (৪০), চরশিমুলিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদিন মিজি (২৮), কোদালপুর ইউনিয়নের ছৈয়ালপাড়া গ্রামের আজাহারুল (২০), হারেজ সরদার (৩৫) এবং টিটু সরদার (২০)।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। এই ২২ দিন ইলিশ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহণ ও সংরক্ষণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। যাতে কোনো অসাধু জেলে নদীতে মাছ ধরতে না পারে, তার জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

সরকার গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গোসাইরহাটে ৭ জেলের কারাদণ্ড, জাল জব্দ

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর ২০২৫

শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে মা ইলিশ রক্ষায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ সময় ৩০ হাজার মিটার কারেন্ট জাল, ১০ কেজি ইলিশ জব্দ এবং ৭ জেলেকে আটক করা হয়। তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সানিয়া বিনতে আফজলের আদালতে এই রায় ঘোষণা করা হয়।

নদী ও সমুদ্রে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার তৃতীয় দিনে (৭ অক্টোবর) রাত ৩টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত পদ্মা নদীতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ। জেলেদের উপস্থিতি টের পেয়ে অনেকেই পালিয়ে গেলেও ৭ জনকে আটক করে সাজা দেওয়া হয়।

দণ্ডিতরা হলেন—কুচাইপট্রি ইউনিয়নের ভিমখিল গ্রামের শাকিল (১৮), একই ইউনিয়নের বসকাঠি গ্রামের খলিল (৩৫), ভাঙ্গা উপজেলার কুচাইপট্রি ইউনিয়নের চরশিমুলিয়া গ্রামের ছায়েদ হাওলদার (৪০), চরশিমুলিয়া গ্রামের জয়নাল আবেদিন মিজি (২৮), কোদালপুর ইউনিয়নের ছৈয়ালপাড়া গ্রামের আজাহারুল (২০), হারেজ সরদার (৩৫) এবং টিটু সরদার (২০)।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আবুল কাশেম বলেন, প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হতে হবে। এই ২২ দিন ইলিশ আহরণ, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহণ ও সংরক্ষণ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। যাতে কোনো অসাধু জেলে নদীতে মাছ ধরতে না পারে, তার জন্য আগামী ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

সরকার গত ৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইলিশের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য।