ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
কাতার প্রধানমন্ত্রী

গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জন্য ফিলিস্তিনই দায়ী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 107

কাতার প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল-থানি। ছবি: সংগৃহীত

গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জন্য ফিলিস্তিনকেই দায়ী করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল-থানি। মঙ্গলবার দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর যুদ্ধবিরতি ভেঙে হামলা চালায় ইসরায়েল। তবে ওই সেনা নিহতের বিষয়টি আদৌ সত্য কি না, তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। খবর ডন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের এক অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের ওপর যে হামলা হয়েছে, সেটি মূলত ফিলিস্তিনি পক্ষের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন। তিনি আরও জানান, হামাস জানিয়েছে, ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগে নেই।

এদিকে ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ‘শক্তিশালী পাল্টা হামলার’ নির্দেশ দেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১০৪ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ৪৬টি শিশু ও ২০ জন নারী। এরপর বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় চালানো হামলায় অন্তত দুজন নিহত হন।

ইসরায়েল দাবি করেছে, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল হামাসের জ্যেষ্ঠ যোদ্ধারা ও এতে ‘ডজনখানেক’ হামাস সদস্য নিহত হয়েছেন। এরপর বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে আবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার ঘোষণা দেয় ইসরায়েল।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে আমরা দুই পক্ষের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি, মঙ্গলবার যা ঘটেছে, তা স্পষ্টতই একটি লঙ্ঘন।

আল থানি আরও বলেন, হামাসের পক্ষ থেকে নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর বিলম্বিত করার চেষ্টা হচ্ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাদের পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি, এটি চুক্তির অংশ ও তাদের সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কাতার প্রধানমন্ত্রী

গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জন্য ফিলিস্তিনই দায়ী

সর্বশেষ আপডেট ০৮:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৫

গাজায় যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের জন্য ফিলিস্তিনকেই দায়ী করেছেন কাতারের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ বিন আব্দুল রহমান আল-থানি। মঙ্গলবার দক্ষিণ গাজার রাফাহ এলাকায় এক ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর যুদ্ধবিরতি ভেঙে হামলা চালায় ইসরায়েল। তবে ওই সেনা নিহতের বিষয়টি আদৌ সত্য কি না, তা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। খবর ডন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশন্সের এক অনুষ্ঠানে সাক্ষাৎকারে কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইসরায়েলি সেনাদের ওপর যে হামলা হয়েছে, সেটি মূলত ফিলিস্তিনি পক্ষের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন। তিনি আরও জানান, হামাস জানিয়েছে, ওই গোষ্ঠীর সঙ্গে তাদের যোগাযোগে নেই।

এদিকে ইসরায়েলি সেনা নিহত হওয়ার পর দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ‘শক্তিশালী পাল্টা হামলার’ নির্দেশ দেন।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১০৪ জন নিহত হন, যাদের মধ্যে ৪৬টি শিশু ও ২০ জন নারী। এরপর বুধবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় গাজার বেইত লাহিয়া এলাকায় চালানো হামলায় অন্তত দুজন নিহত হন।

ইসরায়েল দাবি করেছে, তাদের হামলার লক্ষ্য ছিল হামাসের জ্যেষ্ঠ যোদ্ধারা ও এতে ‘ডজনখানেক’ হামাস সদস্য নিহত হয়েছেন। এরপর বুধবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে আবার যুদ্ধবিরতি কার্যকর করার ঘোষণা দেয় ইসরায়েল।

কাতারের প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখতে আমরা দুই পক্ষের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাচ্ছি। যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এখানে ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি মনে করি, মঙ্গলবার যা ঘটেছে, তা স্পষ্টতই একটি লঙ্ঘন।

আল থানি আরও বলেন, হামাসের পক্ষ থেকে নিহতদের মরদেহ হস্তান্তর বিলম্বিত করার চেষ্টা হচ্ছিল বলে খবর পাওয়া গেছে। আমরা তাদের পরিষ্কারভাবে জানিয়েছি, এটি চুক্তির অংশ ও তাদের সেই প্রতিশ্রুতি রাখতে হবে।