ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গাজায় নতুন শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসের সংক্রমণ, স্বাস্থ্যব্যবস্থা বিপর্যয়ের মুখে

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 31

গাজা উপত্যকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটি রহস্যময় শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস নতুন সংকট সৃষ্টি করেছে। সংক্রমণের কারণে ইতিমধ্যেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থা বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

গাজা সিটির আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানিয়েছেন, শিশু, বৃদ্ধ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভুগছেন এমন ব্যক্তিরা এই ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ভাইরাসটি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা করোনাভাইরাসের কোনো এক ধরনের হতে পারে। অপুষ্টি, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ এবং প্রয়োজনীয় টিকাদানের অভাবে সংক্রমণের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা এবং বমির মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণ দ্রুত নিউমোনিয়ায় রূপ নিচ্ছে। শীতের প্রকোপ, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ এবং তাঁবুতে ঘনবসতি করা বাস্তুচ্যুত পরিবারদের মধ্যে এই পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে।

সদ্য প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গাজার হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিবায়োটিক, ক্যানসারের ওষুধ এবং কিডনি ডায়ালাইসিসের মতো জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আবু সালমিয়া অভিযোগ করেছেন, ইসরাইল গাজায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী প্রবেশে বাধা দিচ্ছে, অথচ বাজারে অপ্রয়োজনীয় পণ্য ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, যুদ্ধবিরতির অবস্থা থাকলেও ইসরাইলি হামলা থেমে নেই। প্রতিনিয়ত আহত ও নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। এমতাবস্থায় গাজার এই স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ, ল্যাবরেটরি সামগ্রী ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রদান করা জরুরি বলে চিকিৎসকেরা উল্লেখ করেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

গাজায় নতুন শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসের সংক্রমণ, স্বাস্থ্যব্যবস্থা বিপর্যয়ের মুখে

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৩০:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

গাজা উপত্যকায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়া একটি রহস্যময় শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাস নতুন সংকট সৃষ্টি করেছে। সংক্রমণের কারণে ইতিমধ্যেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে এবং ভঙ্গুর স্বাস্থ্যব্যবস্থা বিপর্যয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে। খবর টিআরটি ওয়ার্ল্ড।

গাজা সিটির আল-শিফা মেডিকেল কমপ্লেক্সের পরিচালক মোহাম্মদ আবু সালমিয়া জানিয়েছেন, শিশু, বৃদ্ধ এবং দীর্ঘমেয়াদি রোগে ভুগছেন এমন ব্যক্তিরা এই ভাইরাসে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে। স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ধারণা করছেন, ভাইরাসটি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা করোনাভাইরাসের কোনো এক ধরনের হতে পারে। অপুষ্টি, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ এবং প্রয়োজনীয় টিকাদানের অভাবে সংক্রমণের হার আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

আক্রান্ত রোগীদের মধ্যে জ্বর, শরীর ব্যথা, মাথাব্যথা এবং বমির মতো উপসর্গ দেখা দিয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে সংক্রমণ দ্রুত নিউমোনিয়ায় রূপ নিচ্ছে। শীতের প্রকোপ, স্যাঁতসেঁতে পরিবেশ এবং তাঁবুতে ঘনবসতি করা বাস্তুচ্যুত পরিবারদের মধ্যে এই পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে।

সদ্য প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, গাজার হাসপাতালগুলোতে অ্যান্টিবায়োটিক, ক্যানসারের ওষুধ এবং কিডনি ডায়ালাইসিসের মতো জরুরি চিকিৎসা সরঞ্জামের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। আবু সালমিয়া অভিযোগ করেছেন, ইসরাইল গাজায় প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সামগ্রী প্রবেশে বাধা দিচ্ছে, অথচ বাজারে অপ্রয়োজনীয় পণ্য ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, যুদ্ধবিরতির অবস্থা থাকলেও ইসরাইলি হামলা থেমে নেই। প্রতিনিয়ত আহত ও নিহতের সংখ্যা বাড়ছে। এমতাবস্থায় গাজার এই স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে ওষুধ, ল্যাবরেটরি সামগ্রী ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রদান করা জরুরি বলে চিকিৎসকেরা উল্লেখ করেছেন।