ঢাকা ০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

খেলাফত মজলিস কোনো নির্বাচনি জোটে নেই: মামুনুল

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 136

খেলাফত মজলিস কোনো নির্বাচনি জোটে নেই: মামুনুল

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেনি। আপাতত দলটি জুলাই-সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নিয়োজিত আছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মুহাম্মাদপুরস্থ মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকের কার্যালয়ে এই বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বিবৃতি দেন।

একই অনুষ্ঠানে হাটহাজারী মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুল আজিজ (রহ.)-এর সাহেবজাদা ও আমিরে হেফাজত আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী (দা.বা.)-এর জামাতা হজরত মাওলানা হাবীবুল্লাহ খেলাফত মজলিসে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। তিনি আমিরে মজলিসের হাতে প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণ করেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মাওলানা আব্দুস সোবহান, খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি পরিষদ-সদস্য জাকির হোসাইনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সংগঠনের যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নেওয়া হবে। প্রথমে বিষয়টি ‘রাজনৈতিক সেলে’ আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হবে, এরপর তা ‘কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি’-তে উপস্থাপন করা হবে। এরপর ‘কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা’-য় আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের মতামতও নেওয়া হবে।

তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে কাজ করতে হবে, তাদের ভাবনা ও মনোভাব বোঝা উচিত। সংগঠনের সিদ্ধান্ত যেন জনগণের চাওয়া-পাওয়া ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেই অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

সাম্প্রতিক ধর্মীয় ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপূর্ব পালের মাধ্যমে পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ শান্তিকামী নাগরিকদের জন্য ব্যথা ও ক্ষুব্ধ হওয়ার বিষয়। পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর কালাম; এর প্রতি অবমাননা কেবল ধর্মীয় অনুভূতির অপমান নয়, বরং ইসলাম ধর্মের ওপর সরাসরি আঘাত।

তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান, এই অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন ধৃষ্টতা করতে না পারে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

খেলাফত মজলিস কোনো নির্বাচনি জোটে নেই: মামুনুল

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৪:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস এখন পর্যন্ত কোনো নির্বাচনি জোটে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নেনি। আপাতত দলটি জুলাই-সনদ অবিলম্বে বাস্তবায়নের দাবিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে নিয়োজিত আছে। সোমবার (৬ অক্টোবর) ঢাকার মুহাম্মাদপুরস্থ মাওলানা মুহাম্মাদ মামুনুল হকের কার্যালয়ে এই বিষয়ে তিনি সাংবাদিকদের বিবৃতি দেন।

একই অনুষ্ঠানে হাটহাজারী মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস আল্লামা আব্দুল আজিজ (রহ.)-এর সাহেবজাদা ও আমিরে হেফাজত আল্লামা মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী (দা.বা.)-এর জামাতা হজরত মাওলানা হাবীবুল্লাহ খেলাফত মজলিসে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। তিনি আমিরে মজলিসের হাতে প্রাথমিক সদস্য ফরম পূরণ করেন।

যোগদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মাওলানা আব্দুস সোবহান, খেলাফত যুব মজলিসের সভাপতি পরিষদ-সদস্য জাকির হোসাইনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

মাওলানা মামুনুল হক বলেন, সংগঠনের যে কোনো গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে নেওয়া হবে। প্রথমে বিষয়টি ‘রাজনৈতিক সেলে’ আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হবে, এরপর তা ‘কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি’-তে উপস্থাপন করা হবে। এরপর ‘কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা’-য় আলোচনা শেষে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের মতামতও নেওয়া হবে।

তিনি তৃণমূল নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের সঙ্গে মিশে কাজ করতে হবে, তাদের ভাবনা ও মনোভাব বোঝা উচিত। সংগঠনের সিদ্ধান্ত যেন জনগণের চাওয়া-পাওয়া ও বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়, সেই অনুযায়ী কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

সাম্প্রতিক ধর্মীয় ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অপূর্ব পালের মাধ্যমে পবিত্র কোরআন অবমাননার ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। এটি বাংলাদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানসহ শান্তিকামী নাগরিকদের জন্য ব্যথা ও ক্ষুব্ধ হওয়ার বিষয়। পবিত্র কোরআন মহান আল্লাহর কালাম; এর প্রতি অবমাননা কেবল ধর্মীয় অনুভূতির অপমান নয়, বরং ইসলাম ধর্মের ওপর সরাসরি আঘাত।

তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আহ্বান জানান, এই অপরাধে জড়িত ব্যক্তিকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন ধৃষ্টতা করতে না পারে।