কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের যৌথ বিবৃতিতে পহেলগাঁও হামলার নিন্দা
- সর্বশেষ আপডেট ১২:৩৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
- / 174
গুরুত্বপূর্ণ চার দেশের জোট কোয়াডের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ বিবৃতিতে ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে ২২ এপ্রিল সংঘটিত ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন। জোটের দেশগুলো হলো—ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান।
বিবৃতিতে কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেন, “কোয়াড দ্ব্যর্থহীনভাবে সন্ত্রাসবাদ, সহিংস চরমপন্থা এবং সীমান্তবর্তী সন্ত্রাসের নিন্দা জানায় এবং সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতার প্রতি আমাদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।”
তারা আরও বলেন, “আমরা ২২ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলায় নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত ও সম্পূর্ণ সুস্থতা কামনা করি। এই নিন্দনীয় হামলার পেছনে থাকা অপরাধী, সংগঠক এবং অর্থায়নকারীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।”
বিবৃতিতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রাসঙ্গিক রেজুলেশন মেনে আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে এ বিষয়ে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হয়।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে অনুষ্ঠিত কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তাকেশি ইওয়ায়া এবং অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং।
বৈঠকে জয়শঙ্কর বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বকে অবশ্যই শূন্য সহনশীলতা প্রদর্শন করতে হবে। ভুক্তভোগী এবং অপরাধীদের কখনোই একইভাবে বিবেচনা করা উচিত নয়।”
পাকিস্তান এবং পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে সন্ত্রাসী ঘাঁটির বিরুদ্ধে পরিচালিত ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর কথা সরাসরি উল্লেখ না করে তিনি বলেন, “সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে নিজেদের নাগরিকদের রক্ষার পূর্ণ অধিকার ভারতের রয়েছে এবং ভারত সে অধিকার প্রয়োগ করবে।”
বৈঠকে কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সন্ত্রাসবাদবিরোধী সহযোগিতা ছাড়াও আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। এটি ছিল চলতি বছরের শেষ দিকে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিতব্য কোয়াডের বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের প্রস্তুতির অংশ।
ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানকে নিয়ে গঠিত কোয়াড এখন ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় একটি প্রভাবশালী জোট হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

































