ঢাকা ০৭:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কৃষকের পণ্যের দাম নির্ধারণ করা নির্বুদ্ধিতা: আমীর খসরু

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  • / 82

কৃষকের পণ্যের দাম নির্ধারণ করা নির্বুদ্ধিতা: আমীর খসরু

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কৃষি পণ্যের দাম সরকার দ্বারা নির্ধারণ করা হলো বোকার কাজ। বাজারকে স্বাভাবিকভাবে চলতে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, কৃষিতে ভালো অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু কোনো বিপ্লব হয়নি। শস্য ও খাদ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অঞ্চলভিত্তিক ম্যাপিং প্রয়োজন। খাদ্য আমদানি নির্ভরতা কমাতে না পারলে বৈশ্বিক রাজনৈতিক প্রভাবের শিকার হতে হবে। দেশে অনেক সংস্কার হলেও জনগণ তার সুফল পায় না।

শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদ।

আমীর খসরু বলেন, কৃষিতে বিশাল পরিবর্তন হচ্ছে এবং কৃষিতেও বিপ্লব সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্লোগান ছিল “উৎপাদনের রাজনীতি”, তখন দেশের কৃষি পণ্য বিদেশে রফতানি করা হয়েছিল। কৃষির সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি খাত ও এনজিওদের একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি খাতে নীতি রয়েছে, কিন্তু নীতি বাস্তবায়নের মানুষ কম। অনেক সংস্কার হয়, তবে কৃষক এর সুফল পায় না। কৃষকের ফসল পচে নষ্ট না হয়ে প্রক্রিয়াজাত করা প্রয়োজন। কৃষিতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির উন্নয়ন দরকার।

আমীর খসরু বলেন, দেশে এখনও সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান কৃষিতেই। কৃষি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। আগামী ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার অন্যতম খাত কৃষি।

কৃষির অঞ্চলভিত্তিক ম্যাপিং প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোন অঞ্চলে কোন ফসল উৎপাদন হবে তা নির্ধারণ করতে হবে। সম্ভাবনাময় অঞ্চল চিহ্নিত করে অবকাঠামো উন্নয়নের ব্যবস্থা করতে হবে।

খাদ্য আমদানি নির্ভরতা কমাতে না পারলে বৈশ্বিক রাজনীতির শিকার হতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, খাদ্যে বিদেশের উপর নির্ভরতা কমানো জরুরি। অনেক দেশ হঠাৎ কোনো পণ্যের রফতানি বন্ধ করতে পারে বা ট্যারিফ আরোপ করতে পারে। তাই খাদ্যে স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কৃষকের পণ্যের দাম নির্ধারণ করা নির্বুদ্ধিতা: আমীর খসরু

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, কৃষি পণ্যের দাম সরকার দ্বারা নির্ধারণ করা হলো বোকার কাজ। বাজারকে স্বাভাবিকভাবে চলতে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, কৃষিতে ভালো অগ্রগতি হয়েছে, কিন্তু কোনো বিপ্লব হয়নি। শস্য ও খাদ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অঞ্চলভিত্তিক ম্যাপিং প্রয়োজন। খাদ্য আমদানি নির্ভরতা কমাতে না পারলে বৈশ্বিক রাজনৈতিক প্রভাবের শিকার হতে হবে। দেশে অনেক সংস্কার হলেও জনগণ তার সুফল পায় না।

শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘কৃষি ও খাদ্যে রাজনৈতিক অঙ্গীকার’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ও কর্মশালার দ্বিতীয় দিনে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিএজেএফ সভাপতি সাহানোয়ার সাইদ শাহীন এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আবু খালিদ।

আমীর খসরু বলেন, কৃষিতে বিশাল পরিবর্তন হচ্ছে এবং কৃষিতেও বিপ্লব সম্ভব। তিনি উল্লেখ করেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্লোগান ছিল “উৎপাদনের রাজনীতি”, তখন দেশের কৃষি পণ্য বিদেশে রফতানি করা হয়েছিল। কৃষির সর্বোচ্চ উৎপাদন নিশ্চিত করতে সরকারি-বেসরকারি খাত ও এনজিওদের একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, কৃষি খাতে নীতি রয়েছে, কিন্তু নীতি বাস্তবায়নের মানুষ কম। অনেক সংস্কার হয়, তবে কৃষক এর সুফল পায় না। কৃষকের ফসল পচে নষ্ট না হয়ে প্রক্রিয়াজাত করা প্রয়োজন। কৃষিতে বিনিয়োগ ও প্রযুক্তির উন্নয়ন দরকার।

আমীর খসরু বলেন, দেশে এখনও সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান কৃষিতেই। কৃষি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। আগামী ১৮ মাসে এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যার অন্যতম খাত কৃষি।

কৃষির অঞ্চলভিত্তিক ম্যাপিং প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে তিনি বলেন, দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোন অঞ্চলে কোন ফসল উৎপাদন হবে তা নির্ধারণ করতে হবে। সম্ভাবনাময় অঞ্চল চিহ্নিত করে অবকাঠামো উন্নয়নের ব্যবস্থা করতে হবে।

খাদ্য আমদানি নির্ভরতা কমাতে না পারলে বৈশ্বিক রাজনীতির শিকার হতে হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, খাদ্যে বিদেশের উপর নির্ভরতা কমানো জরুরি। অনেক দেশ হঠাৎ কোনো পণ্যের রফতানি বন্ধ করতে পারে বা ট্যারিফ আরোপ করতে পারে। তাই খাদ্যে স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করতে হবে।