ঢাকা ০৪:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে গুলি করে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুষ্টিয়া
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫
  • / 462

কুষ্টিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে গুলি করে হত্যা

কুষ্টিয়ায় টুটুল হোসেন (৪০) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মধুপুর পশুহাট সংলগ্ন কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে এই ঘটনা ঘটে। নিহত টুটুল হোসেন স্থানীয় মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা তুরাব হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে দেশে ফিরে স্থানীয় বাজারে একটি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।

পুলিশ জানায়, স্থানীয়রা মহাসড়কের পাশে টুটুলের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে খবর দিলে, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পাশ থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে একটি শটগান, কয়েক রাউন্ড গুলি এবং একটি মোটরসাইকেল। নিহতের মুখে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে, টুটুলকে অন্য কোথাও হত্যা করে পরে লাশ এখানে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।”

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে এভাবে হত্যা ঘিরে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যার পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খুঁজে বের করতে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে নেমেছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুষ্টিয়ায় বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে গুলি করে হত্যা

সর্বশেষ আপডেট ১১:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫

কুষ্টিয়ায় টুটুল হোসেন (৪০) নামে এক বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

মঙ্গলবার (১০ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার মধুপুর পশুহাট সংলগ্ন কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের পাশে এই ঘটনা ঘটে। নিহত টুটুল হোসেন স্থানীয় মৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা তুরাব হোসেনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে দেশে ফিরে স্থানীয় বাজারে একটি দোকান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছিলেন।

পুলিশ জানায়, স্থানীয়রা মহাসড়কের পাশে টুটুলের গুলিবিদ্ধ লাশ পড়ে থাকতে দেখে খবর দিলে, তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পাশ থেকেই উদ্ধার করা হয়েছে একটি শটগান, কয়েক রাউন্ড গুলি এবং একটি মোটরসাইকেল। নিহতের মুখে আঘাতের চিহ্নও রয়েছে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “ধারণা করা হচ্ছে, টুটুলকে অন্য কোথাও হত্যা করে পরে লাশ এখানে ফেলে গেছে দুর্বৃত্তরা। ঘটনাটি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছি।”

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে এভাবে হত্যা ঘিরে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যার পেছনে কী উদ্দেশ্য রয়েছে, তা খুঁজে বের করতে পুলিশের পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও মাঠে নেমেছেন।