ঢাকা ০৩:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুমিল্লায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে মাজারে হামলা ও আগুন

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 80

কুমিল্লায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে মাজারে হামলা ও আগুন

কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন চারটি মাজারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হোমনা উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়নের আসাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ ঘটনায় কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খান জানান, যারা এই উসকানিমূলক কার্যক্রমে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মাজারে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালাচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সকালে ‘বেমজা মহসিন’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় বিষয়ের ওপর আপত্তিকর একটি পোস্ট করা হয়। এর পরপরই স্থানীয় জনতা থানার সামনে জড়ো হয়ে যুবকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে এবং তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়।

এরপর বৃহস্পতিবার সকালে, এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতা মাইকে ঘোষণা দিয়ে আসাদপুর গ্রামের কফিল উদ্দিন শাহ ও হাওয়ালি শাহ মাজারে হামলা চালায়। তারা কালাই শাহ এবং আবদু শাহ মাজারেও হামলা করে, ভাঙচুর চালায় এবং মাজারগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও স্থানীয় ইসলামী সংগঠনগুলোর নেতারা অভিযুক্ত যুবকের ফাঁসির দাবি জানায়। তবে পুলিশ জানায়, ওই যুবক দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দিচ্ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার আরও জানান, “এলাকায় বর্তমানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।”

এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুমিল্লায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে মাজারে হামলা ও আগুন

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৫৬:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫

কুমিল্লার হোমনা উপজেলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ধর্মীয় কটূক্তির অভিযোগে মাইকে ঘোষণা দিয়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন চারটি মাজারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হোমনা উপজেলার আসাদপুর ইউনিয়নের আসাদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

এ ঘটনায় কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. নাজির আহমেদ খান জানান, যারা এই উসকানিমূলক কার্যক্রমে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, মাজারে হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ দ্রুত তদন্ত চালাচ্ছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার সকালে ‘বেমজা মহসিন’ নামের একটি ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় বিষয়ের ওপর আপত্তিকর একটি পোস্ট করা হয়। এর পরপরই স্থানীয় জনতা থানার সামনে জড়ো হয়ে যুবকের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। পুলিশ ওই যুবককে গ্রেপ্তার করে এবং তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়।

এরপর বৃহস্পতিবার সকালে, এলাকায় বিক্ষুব্ধ জনতা মাইকে ঘোষণা দিয়ে আসাদপুর গ্রামের কফিল উদ্দিন শাহ ও হাওয়ালি শাহ মাজারে হামলা চালায়। তারা কালাই শাহ এবং আবদু শাহ মাজারেও হামলা করে, ভাঙচুর চালায় এবং মাজারগুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও স্থানীয় ইসলামী সংগঠনগুলোর নেতারা অভিযুক্ত যুবকের ফাঁসির দাবি জানায়। তবে পুলিশ জানায়, ওই যুবক দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে উসকানিমূলক পোস্ট দিচ্ছিলেন এবং তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

কুমিল্লা পুলিশ সুপার আরও জানান, “এলাকায় বর্তমানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।”

এই ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছে।