ঢাকা ০৬:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে ১০ শিক্ষার্থীসহ ১৯ জন দগ্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কিশোরগঞ্জ
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 274

কিশোরগঞ্জে ১০ শিক্ষার্থীসহ ১৯ জন দগ্ধ

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের সদস্যসহ মোট ১৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লুন্দিয়া চরপাড়া মেঘনা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ১০ জন স্কুল–মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর, যাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন—হারুন মিয়া (৪০), সোহাগ মিয়া (১০), ওয়াসিবুল (১০), সামিউল (৯), আল আমিন (৮), শুভ (৮), নিরব (১৫), রাহাত (১২), ফাহিম (১০), আমিন (১০), হেকিম মিয়া (৫৫), সেরাজুল (১০), ছিদ্দিক মিয়া (৫৮), মোর্শিদ মিয়া (৫৫), নাছির মিয়া (৪০) এবং আরও কয়েকজন।

গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থী সামিউল, রাহাত, নিরব, বাক্‌প্রতিবন্ধী হেকিম মিয়া ও হারুন মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আরও দুইজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, নাসির মিয়া নামের এক ব্যক্তি সকালে নাস্তার দোকান বন্ধ রেখে বাড়ি চলে যান। পরে দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে আশপাশের মানুষজন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। হারুন মিয়া তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলে দেখতে পান গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হচ্ছে। তিনি মুখ বন্ধ করতে গেলে হঠাৎ সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়। এতে আশপাশে থাকা শিশু শিক্ষার্থীসহ ১৯ জন দগ্ধ হন।

দগ্ধদের প্রথমে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে ৭ জনকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় রেফার করা হয় এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়।

এলাকাবাসী দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে সরকারের কাছে আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, তিনি আহতদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কিশোরগঞ্জে ১০ শিক্ষার্থীসহ ১৯ জন দগ্ধ

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১৯:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর ২০২৫

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে একই পরিবারের সদস্যসহ মোট ১৯ জন দগ্ধ হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় লুন্দিয়া চরপাড়া মেঘনা বাজার এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। দগ্ধদের মধ্যে ১০ জন স্কুল–মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাঁচজনের অবস্থা গুরুতর, যাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।

দগ্ধদের মধ্যে রয়েছেন—হারুন মিয়া (৪০), সোহাগ মিয়া (১০), ওয়াসিবুল (১০), সামিউল (৯), আল আমিন (৮), শুভ (৮), নিরব (১৫), রাহাত (১২), ফাহিম (১০), আমিন (১০), হেকিম মিয়া (৫৫), সেরাজুল (১০), ছিদ্দিক মিয়া (৫৮), মোর্শিদ মিয়া (৫৫), নাছির মিয়া (৪০) এবং আরও কয়েকজন।

গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থী সামিউল, রাহাত, নিরব, বাক্‌প্রতিবন্ধী হেকিম মিয়া ও হারুন মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। আরও দুইজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, নাসির মিয়া নামের এক ব্যক্তি সকালে নাস্তার দোকান বন্ধ রেখে বাড়ি চলে যান। পরে দোকান থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে আশপাশের মানুষজন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। হারুন মিয়া তালা খুলে ভেতরে প্রবেশ করলে দেখতে পান গ্যাস সিলিন্ডার থেকে গ্যাস বের হচ্ছে। তিনি মুখ বন্ধ করতে গেলে হঠাৎ সিলিন্ডারটি বিস্ফোরিত হয়। এতে আশপাশে থাকা শিশু শিক্ষার্থীসহ ১৯ জন দগ্ধ হন।

দগ্ধদের প্রথমে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে ৭ জনকে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় রেফার করা হয় এবং বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়।

এলাকাবাসী দুর্ঘটনাকে অত্যন্ত মর্মান্তিক উল্লেখ করে সরকারের কাছে আহতদের চিকিৎসার দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কেএম মামুনুর রশীদ জানিয়েছেন, তিনি আহতদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিয়েছেন। সরকারের পক্ষ থেকে চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।