কারাগারে ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদ
- সর্বশেষ আপডেট ০৮:০০:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
- / 85
অগ্রণী ব্যাংকের ১৮৯ কোটি টাকার ঋণ জালিয়াতি মামলায় ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ওবায়েদ উল্লাহ আল মাসুদকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার দুদকের আবেদনে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন।
এর আগে সকালেই ধানমন্ডির বাসা থেকে পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বিকেলে আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহ জালাল তাকে কারাগারে রাখার আবেদন জানান। আসামিপক্ষে কোনো জামিন আবেদন না থাকায় আদালত সরাসরি কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
ওবায়েদ উল্লাহ মাসুদ ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করেন। এর আগে তিনি সোনালী ব্যাংক ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং আরও আগে অগ্রণী ব্যাংকের ঢাকা সার্কেল–২ এর মহাব্যবস্থাপক ছিলেন।
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তার দায়িত্বকালীন সময়ের আর্থিক অনিয়ম নিয়ে একটি তদন্ত প্রতিবেদন দুদকে দেয়। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই দুদক গত ২৮ সেপ্টেম্বর অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক এমডি সৈয়দ আব্দুল হামিদসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে। অভিযোগে বলা হয়, অগ্রণী ব্যাংকের চট্টগ্রাম আছাদগঞ্জ শাখা থেকে নিয়ম ভেঙে ঋণ প্রদান করা হয়, যার মাধ্যমে ১৮৯ কোটি ৮০ লাখ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে।
মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন; অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক প্রিন্সিপাল অফিসার ও মহাব্যবস্থাপক মোস্তাক আহমেদ, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক আবুল হোসেন তালুকদার, সাবেক মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ শামস উল ইসলাম, সাবেক উপ-মহাব্যবস্থাপক তাজরীনা ফেরদৌসী এবং সাবেক মহাব্যবস্থাপক মো. মোফাজ্জল হোসেন।
এ ছাড়াও নুরজাহান গ্রুপের চার পরিচালককে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন, মেসার্স মিজান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. মিজানুর রহমান, জাসমীর ভেজিটেবল ওয়েল লিমিটেডের এমডি জহির আহমেদ, ওই কোম্পানির পরিচালক টিপু সুলতান এবং ফরহাদ মনোয়ার।
দুদক জানিয়েছে, পুরো ঘটনাটি তদন্তাধীন এবং অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
































