ঢাকা ০৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাউন্সিলরশিপ নিয়ে অনিশ্চয়তায় তামিম ইকবাল

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০২:২১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 113

কাউন্সিলরশিপ নিয়ে অনিশ্চয়তায় তামিম ইকবাল

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে শুনানিতে অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকায় নির্বাচন কমিশন বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। আপাতত তার অংশগ্রহণে বাধা নেই।

তবু আশ্বস্ত হতে পারছেন না দেশের এই তারকা ক্রিকেটার। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শুনানির পর সংবাদমাধ্যমে তামিম জানিয়েছেন, তার কাউন্সিলরশিপ বাতিল বা আদালতে রিট হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

বিসিবির খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ৩৮টি অভিযোগ জমা পড়ে, যার মধ্যে একটি ছিল ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে তামিমের বৈধতা নিয়ে। অভিযোগে বলা হয়, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেননি এবং ওই ক্লাবের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা নেই। তবে অভিযোগকারীর নামে এ অভিযোগ জমা পড়লেও তিনি নিজেই সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

তামিমের মতে, এই সবকিছু পরিকল্পিতভাবে করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার নামে অভিযোগকারীই বলছে সে অভিযোগ দেয়নি। তাহলে কে করেছে? এসব করার আগে আমাকে হুমকিও দেওয়া হয়েছে।’

নিজেকে ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে প্রমাণের কথাও তুলে ধরেন তামিম। তিনি বলেন, ‘আমি তিনটি দলের মালিক, দুটি দলের কমিটিতে আছি। ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের কমিটিতে আমার নাম খুঁজলেই পাওয়া যাবে।’

দুদকের পর্যবেক্ষণে ১৫টি ক্লাবকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন তিনি। তামিমের মতে, এসব ক্লাব নিয়মিত ক্রিকেট খেলে এবং খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক দেয়। তাই তাদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ৩০০ ক্রিকেটারের জীবনের ওপর প্রভাব ফেলবে।

বিসিবির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোংরামির অভিযোগ আগেও করেছিলেন তামিম। আবারও তিনি বলেন, ‘এটা সবাই জানে, এক পক্ষকে দুর্বল করার জন্য এসব করা হচ্ছে। এত দূর যে বিষয়টা চলে গেছে, খেলোয়াড়দের জীবনকেও এখন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্রিকেট বোর্ডের ইতিহাসে এত নোংরামি আগে কখনও দেখা যায়নি।’

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কাউন্সিলরশিপ নিয়ে অনিশ্চয়তায় তামিম ইকবাল

সর্বশেষ আপডেট ০২:২১:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে তামিম ইকবালের কাউন্সিলরশিপ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। তবে শুনানিতে অভিযোগকারী অনুপস্থিত থাকায় নির্বাচন কমিশন বিষয়টি গুরুত্ব দেয়নি। আপাতত তার অংশগ্রহণে বাধা নেই।

তবু আশ্বস্ত হতে পারছেন না দেশের এই তারকা ক্রিকেটার। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শুনানির পর সংবাদমাধ্যমে তামিম জানিয়েছেন, তার কাউন্সিলরশিপ বাতিল বা আদালতে রিট হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যাচ্ছে।

বিসিবির খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ৩৮টি অভিযোগ জমা পড়ে, যার মধ্যে একটি ছিল ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের কাউন্সিলর হিসেবে তামিমের বৈধতা নিয়ে। অভিযোগে বলা হয়, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেননি এবং ওই ক্লাবের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা নেই। তবে অভিযোগকারীর নামে এ অভিযোগ জমা পড়লেও তিনি নিজেই সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, বিষয়টি সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না।

তামিমের মতে, এই সবকিছু পরিকল্পিতভাবে করা হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমার নামে অভিযোগকারীই বলছে সে অভিযোগ দেয়নি। তাহলে কে করেছে? এসব করার আগে আমাকে হুমকিও দেওয়া হয়েছে।’

নিজেকে ক্রিকেট সংগঠক হিসেবে প্রমাণের কথাও তুলে ধরেন তামিম। তিনি বলেন, ‘আমি তিনটি দলের মালিক, দুটি দলের কমিটিতে আছি। ওল্ড ডিওএইচএস ক্লাবের কমিটিতে আমার নাম খুঁজলেই পাওয়া যাবে।’

দুদকের পর্যবেক্ষণে ১৫টি ক্লাবকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়েও কথা বলেন তিনি। তামিমের মতে, এসব ক্লাব নিয়মিত ক্রিকেট খেলে এবং খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক দেয়। তাই তাদের বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত ৩০০ ক্রিকেটারের জীবনের ওপর প্রভাব ফেলবে।

বিসিবির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নোংরামির অভিযোগ আগেও করেছিলেন তামিম। আবারও তিনি বলেন, ‘এটা সবাই জানে, এক পক্ষকে দুর্বল করার জন্য এসব করা হচ্ছে। এত দূর যে বিষয়টা চলে গেছে, খেলোয়াড়দের জীবনকেও এখন হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্রিকেট বোর্ডের ইতিহাসে এত নোংরামি আগে কখনও দেখা যায়নি।’