ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কনার বিচ্ছেদ নিয়ে ন্যান্সির খোঁচা, পাশে দাঁড়ালেন সালমা

বিনোদন ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫
  • / 353

কনার বিচ্ছেদ নিয়ে ন্যান্সির খোঁচা, পাশে দাঁড়ালেন সালমা

হঠাৎ করেই ছয় বছরের সংসারজীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা। আবেগঘন বার্তায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত যন্ত্রণার কথা জানালে, তার ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

কনার পোস্টের ঠিক এক ঘণ্টা পর মধ্যরাতে সামাজিক মাধ্যমে আরেকটি আলোচনার জন্ম দেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। তিনি লেখেন, “জন্ম মৃত্যু বিয়ে বিচ্ছেদ—এর সবই আল্লাহর ইচ্ছায় হয়—বাণীতে শেয়াল রানী।”

এই পোস্ট ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। অনেকে ধরে নেন, এটি কনাকে উদ্দেশ করেই লেখা। কারণ পোস্টটিতে কনার পোস্টের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য ছিল এবং “শেয়াল রানী” ট্যাগটি অতীতের একটি বিতর্কের সূত্র ধরে সমালোচনার জন্ম দেয়।

গত বছর ন্যান্সির একটি শেয়ালের ছবিসংবলিত পোস্ট ঘিরেও কনাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছিল।

এই পরিস্থিতিতে শিল্পীদের মধ্যে সহমর্মিতা ও সংহতির বার্তা নিয়ে সামনে আসেন সংগীতশিল্পী সালমা আক্তার। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেলে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন: “মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়। কঠিন সময়ে শিল্পীর পাশে থাকাটা জরুরি। আমাদের ট্যাগ কিন্তু আমরা শিল্পী। সেখানে আমাদের কর্তব্য সবাই একসাথে মিলে থাকাটা। দুই দিনের দুনিয়া, কে কখন আছি আবার নেই। যার যার কষ্ট, তার তার। সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করুন।”

কনা, ন্যান্সি ও সালমা—তিনজনই বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। কনা সংগীতজীবন শুরু করেন ২০০০ সালে, ন্যান্সির অভিষেক ২০০৫ সালে, আর সালমা আলোচনায় আসেন ২০০৬ সালে “ক্লোজআপ-তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ” প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে।

ব্যক্তিজীবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সহমর্মিতার দুই চিত্র এবারও সামাজিক মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেল।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কনার বিচ্ছেদ নিয়ে ন্যান্সির খোঁচা, পাশে দাঁড়ালেন সালমা

সর্বশেষ আপডেট ০৫:৪২:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ জুন ২০২৫

হঠাৎ করেই ছয় বছরের সংসারজীবনের ইতি টেনে বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা। আবেগঘন বার্তায় তিনি নিজের ব্যক্তিগত যন্ত্রণার কথা জানালে, তার ভক্ত ও সহকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

কনার পোস্টের ঠিক এক ঘণ্টা পর মধ্যরাতে সামাজিক মাধ্যমে আরেকটি আলোচনার জন্ম দেন সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। তিনি লেখেন, “জন্ম মৃত্যু বিয়ে বিচ্ছেদ—এর সবই আল্লাহর ইচ্ছায় হয়—বাণীতে শেয়াল রানী।”

এই পোস্ট ঘিরেই শুরু হয় বিতর্ক। অনেকে ধরে নেন, এটি কনাকে উদ্দেশ করেই লেখা। কারণ পোস্টটিতে কনার পোস্টের ভাষার সঙ্গে সাদৃশ্য ছিল এবং “শেয়াল রানী” ট্যাগটি অতীতের একটি বিতর্কের সূত্র ধরে সমালোচনার জন্ম দেয়।

গত বছর ন্যান্সির একটি শেয়ালের ছবিসংবলিত পোস্ট ঘিরেও কনাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে গুঞ্জন উঠেছিল।

এই পরিস্থিতিতে শিল্পীদের মধ্যে সহমর্মিতা ও সংহতির বার্তা নিয়ে সামনে আসেন সংগীতশিল্পী সালমা আক্তার। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) বিকেলে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন: “মানুষ মরে গেলে পচে যায়, বেঁচে থাকলে বদলায়। কঠিন সময়ে শিল্পীর পাশে থাকাটা জরুরি। আমাদের ট্যাগ কিন্তু আমরা শিল্পী। সেখানে আমাদের কর্তব্য সবাই একসাথে মিলে থাকাটা। দুই দিনের দুনিয়া, কে কখন আছি আবার নেই। যার যার কষ্ট, তার তার। সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করুন।”

কনা, ন্যান্সি ও সালমা—তিনজনই বাংলাদেশের জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। কনা সংগীতজীবন শুরু করেন ২০০০ সালে, ন্যান্সির অভিষেক ২০০৫ সালে, আর সালমা আলোচনায় আসেন ২০০৬ সালে “ক্লোজআপ-তোমাকেই খুঁজছে বাংলাদেশ” প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়ে।

ব্যক্তিজীবনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে শিল্পীদের মধ্যে দ্বন্দ্ব ও সহমর্মিতার দুই চিত্র এবারও সামাজিক মাধ্যমে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেল।