ঢাকা ০৭:৪৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এলপিজি আমদানিতে বড় সুবিধা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 42

এলপি গ্যাস সিলিন্ডার , ছবি সংগৃহীত

দেশে এলপিজি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বড় ধরনের নীতিগত সমর্থন দিয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী এলপিজি আমদানিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যার ফলে আমদানিকারকরা সর্বোচ্চ ২৭০ দিনের মধ্যে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাবেন।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি হয়ে পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়, যার প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমদানিতে অতিরিক্ত সময়ের ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে সর্বোচ্চ ২৭০ দিনের মধ্যে মূল্য পরিশোধের সুযোগের জন্য সার্কুলার জারি করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিকারকরাও এই সুবিধার আওতায় এলেন।

সার্কুলারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরবরাহকারীর কাছ থেকে বাণিজ্যিক ঋণের পাশাপাশি আমদানিকারকরা চাইলে বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতা ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।

পাশাপাশি দেশের নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও নেওয়া যাবে। তবে এসব ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা ও ঋণ সংক্রান্ত সতর্কতামূলক নীতি মানতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি আমদানির পর বাজারে সরবরাহ করতে বেশি সময় লাগায় আমদানিকারকদের নগদ অর্থপ্রবাহে চাপ সৃষ্টি হয়। এই চাপ কমাতে এবং জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ এই পণ্যের আমদানি দ্রুত করতে বাকিতে পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার তাৎক্ষণিক চাপ কমবে এবং দীর্ঘ সময় ধরে মূল্য পরিশোধের সুযোগ থাকায় বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কাও কমবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

এলপিজি আমদানিতে বড় সুবিধা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০১:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬

দেশে এলপিজি সরবরাহ অব্যাহত রাখতে এবং আমদানি প্রক্রিয়া সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক বড় ধরনের নীতিগত সমর্থন দিয়েছে।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী এলপিজি আমদানিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে, যার ফলে আমদানিকারকরা সর্বোচ্চ ২৭০ দিনের মধ্যে মূল্য পরিশোধের সুযোগ পাবেন।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে দেশের সব ব্যাংকে পাঠিয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, এলপিজি সাধারণত বাল্ক আকারে আমদানি হয়ে পরে সিলিন্ডারে ভরে বাজারজাত করা হয়, যার প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ, বোতলজাতকরণ ও বিতরণে তুলনামূলকভাবে বেশি সময় লাগে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় এলপিজিকে শিল্প কাঁচামাল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে আমদানিতে অতিরিক্ত সময়ের ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত ২৯ ডিসেম্বর শিল্প কাঁচামাল আমদানিতে সর্বোচ্চ ২৭০ দিনের মধ্যে মূল্য পরিশোধের সুযোগের জন্য সার্কুলার জারি করা হয়েছিল। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিকারকরাও এই সুবিধার আওতায় এলেন।

সার্কুলারের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরবরাহকারীর কাছ থেকে বাণিজ্যিক ঋণের পাশাপাশি আমদানিকারকরা চাইলে বিদেশি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে ক্রেতা ঋণ গ্রহণ করতে পারবেন।

পাশাপাশি দেশের নির্ধারিত ব্যাংকগুলোর অফশোর ব্যাংকিং ইউনিটের মাধ্যমে বিল ডিসকাউন্টিং সুবিধাও নেওয়া যাবে। তবে এসব ক্ষেত্রে বৈদেশিক মুদ্রা বিধিমালা ও ঋণ সংক্রান্ত সতর্কতামূলক নীতি মানতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, এলপিজি আমদানির পর বাজারে সরবরাহ করতে বেশি সময় লাগায় আমদানিকারকদের নগদ অর্থপ্রবাহে চাপ সৃষ্টি হয়। এই চাপ কমাতে এবং জ্বালানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ এই পণ্যের আমদানি দ্রুত করতে বাকিতে পরিশোধের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্তের ফলে এলপিজি আমদানিতে বৈদেশিক মুদ্রার তাৎক্ষণিক চাপ কমবে এবং দীর্ঘ সময় ধরে মূল্য পরিশোধের সুযোগ থাকায় বাজারে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কাও কমবে।