ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা ও মোসাদ কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
  • / 248

ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা ও মোসাদ কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের একটি সামরিক গোয়েন্দা কেন্দ্র ও মোসাদের একটি অপারেশন প্ল্যানিং সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে এই হামলা চালানো হয় বলে জানায় ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়, দেশটির মধ্যাঞ্চলের উপকূলীয় শহর হার্জলিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। সেখানে অবস্থিত একটি ‘স্পর্শকাতর’ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। সামরিক বা কৌশলগত স্থাপনাগুলোকেই সাধারণত এমন ‘স্পর্শকাতর’ স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তাসনিমের খবরে আরও জানানো হয়, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ইউনিট এ অভিযান পরিচালনা করে। ইসরায়েলের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সত্ত্বেও, আইআরজিসি সরাসরি ‘আমান’ নামের সামরিক গোয়েন্দা অধিদপ্তর এবং তেল আবিবে মোসাদ সদরদপ্তরে আঘাত হানে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার পর মোসাদ কার্যালয়ে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

১৩ জুন ইসরায়েলের হামলার জবাবে এ ধরনের একাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। সংস্থাটির ভাষ্য, ইসরায়েল বিনা উসকানিতে ইরানের পারমাণবিক, সামরিক এবং আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে নিহত হয়েছেন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণু বিজ্ঞানী, নারী ও শিশুসহ সাধারণ মানুষ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইসরায়েলের সামরিক গোয়েন্দা ও মোসাদ কার্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) দাবি করেছে, তারা ইসরায়েলের একটি সামরিক গোয়েন্দা কেন্দ্র ও মোসাদের একটি অপারেশন প্ল্যানিং সেন্টারে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

মঙ্গলবার ভোরে এই হামলা চালানো হয় বলে জানায় ইরানের আধা-সরকারি তাসনিম নিউজ এজেন্সি।

এর আগে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়, দেশটির মধ্যাঞ্চলের উপকূলীয় শহর হার্জলিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। সেখানে অবস্থিত একটি ‘স্পর্শকাতর’ স্থাপনাকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয়। সামরিক বা কৌশলগত স্থাপনাগুলোকেই সাধারণত এমন ‘স্পর্শকাতর’ স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

তাসনিমের খবরে আরও জানানো হয়, আইআরজিসির অ্যারোস্পেস ইউনিট এ অভিযান পরিচালনা করে। ইসরায়েলের শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সত্ত্বেও, আইআরজিসি সরাসরি ‘আমান’ নামের সামরিক গোয়েন্দা অধিদপ্তর এবং তেল আবিবে মোসাদ সদরদপ্তরে আঘাত হানে।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, হামলার পর মোসাদ কার্যালয়ে ব্যাপক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

১৩ জুন ইসরায়েলের হামলার জবাবে এ ধরনের একাধিক প্রতিশোধমূলক হামলা চালানোর দাবি করেছে আইআরজিসি। সংস্থাটির ভাষ্য, ইসরায়েল বিনা উসকানিতে ইরানের পারমাণবিক, সামরিক এবং আবাসিক এলাকায় হামলা চালিয়েছে, যেখানে নিহত হয়েছেন শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা, পরমাণু বিজ্ঞানী, নারী ও শিশুসহ সাধারণ মানুষ।