ঢাকা ০১:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইরানে হামলা চালাতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছে ইসরাইল

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 13

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা

ইউনাইটেড স্টেটসের ওপর ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর জন্য চাপ দিচ্ছে ইসরাইল, যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো সরাসরি হামলার সিদ্ধান্ত নেননি। তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথে যুক্তরাষ্ট্র এগোতে চাইলেও, ইসরাইলি সেনাপ্রধান ওয়াশিংটন ডিসিতে গিয়ে মার্কিন সামরিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এক্সিওসের খবরে বলা হয়েছে, গত মাসের শুরুতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন ট্রাম্প ছোট ধরনের হামলার কথা ভাবছিলেন। তখনই ইসরাইল সেই হামলার বিরোধিতা করেছিল, কারণ তারা মনে করেছিল, তীব্র হামলা না দিলে ইরানের সরকারকে চাপ দেওয়া সম্ভব হবে না। কয়েকদিনের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনলে এবং সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে আগ্রহ হারালে, ট্রাম্প হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন।

এরপরই ইসরাইল চাপ দেওয়ার চেষ্টা শুরু করে। সেনাপ্রধান ইয়াল জামির ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং হামলা ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা নিয়ে তাকে অবহিত করেন। এর পর ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিন সেনা কর্মকর্তার বৈঠক হয়, কিন্তু ট্রাম্প হামলায় সায় দেননি।

এদিকে, দীর্ঘ সময়ের হুমকি-পাল্টা হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে। আগামী শুক্রবার তুরস্কে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগবি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। তবে আলোচনার আগে ট্রাম্প বলেছেন, চুক্তি না হলে “ভয়াবহ কিছু ঘটতে পারে”। তিনি বলেন, “ইরানের দিকে আমাদের বড় বহর যাচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে যদি সমাধান হয়, ভালো। না হলে পরিস্থিতি খারাপ দিকে যাবে।”

Tag :

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইরানে হামলা চালাতে ট্রাম্পকে চাপ দিচ্ছে ইসরাইল

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৪১:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইউনাইটেড স্টেটসের ওপর ইরানে সামরিক অভিযান চালানোর জন্য চাপ দিচ্ছে ইসরাইল, যদিও প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখনো সরাসরি হামলার সিদ্ধান্ত নেননি। তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার পথে যুক্তরাষ্ট্র এগোতে চাইলেও, ইসরাইলি সেনাপ্রধান ওয়াশিংটন ডিসিতে গিয়ে মার্কিন সামরিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

এক্সিওসের খবরে বলা হয়েছে, গত মাসের শুরুতে ইরানে সরকারবিরোধী বিক্ষোভ চলাকালীন ট্রাম্প ছোট ধরনের হামলার কথা ভাবছিলেন। তখনই ইসরাইল সেই হামলার বিরোধিতা করেছিল, কারণ তারা মনে করেছিল, তীব্র হামলা না দিলে ইরানের সরকারকে চাপ দেওয়া সম্ভব হবে না। কয়েকদিনের মধ্যে নিরাপত্তা বাহিনী বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে আনলে এবং সাধারণ মানুষ বিক্ষোভে আগ্রহ হারালে, ট্রাম্প হামলার পরিকল্পনা থেকে সরে আসেন।

এরপরই ইসরাইল চাপ দেওয়ার চেষ্টা শুরু করে। সেনাপ্রধান ইয়াল জামির ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন সেনাপ্রধান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং হামলা ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা নিয়ে তাকে অবহিত করেন। এর পর ট্রাম্পের সঙ্গে মার্কিন সেনা কর্মকর্তার বৈঠক হয়, কিন্তু ট্রাম্প হামলায় সায় দেননি।

এদিকে, দীর্ঘ সময়ের হুমকি-পাল্টা হুমকির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান আলোচনা শুরু করতে সম্মত হয়েছে। আগামী শুক্রবার তুরস্কে ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগবি ও মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকোফের মধ্যে সরাসরি আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। তবে আলোচনার আগে ট্রাম্প বলেছেন, চুক্তি না হলে “ভয়াবহ কিছু ঘটতে পারে”। তিনি বলেন, “ইরানের দিকে আমাদের বড় বহর যাচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে যদি সমাধান হয়, ভালো। না হলে পরিস্থিতি খারাপ দিকে যাবে।”