ঢাকা ০৩:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
দাবি ট্রাম্পের

ইরান এখন দুর্বল, চাইলেই সবকিছু আদায় সম্ভব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 187

সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে তেহরানের কাছ থেকে যেকোনো কিছু আদায় করে নিতে পারবে। তার ভাষায়, “আমরা যা চাই, তা-ই পাবো।”

১ জুলাই ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বিমান হামলা ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরান কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তার দাবি, “তারা এতটা বিধ্বস্ত যে, সেই জায়গায় পৌঁছাতে আবার কয়েক বছর লাগবে।”

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে সেটা অগ্রাধিকার নয়। তবে ইঙ্গিত দেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা প্রভাব বজায় থাকবে।

এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে ভিন্ন সুর পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর শীর্ষ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদ ভাহিদি জানিয়েছেন, ইসরায়েল মোকাবিলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে। তার ভাষায়, “আমরা শত্রুদের নিষ্ঠুর জবাব দিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুত।”

ইরানের প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘দেফা প্রেস’ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ৩১ হাজার ভবন এবং ৪ হাজার যানবাহন সম্পূর্ণ ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রুশ বার্তা সংস্থা তাসের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই ধ্বংসযজ্ঞ ‘অপূরণীয়’ এবং ইসরায়েলের জন্য এক গভীর আঘাত।

তবে আলোচনার পথ এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিক আলোচনার সম্ভাবনা না থাকলেও কূটনৈতিক দরজা এখনো খোলা। মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফও স্বীকার করেছেন, ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে আলোচনা চলছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দাবি ট্রাম্পের

ইরান এখন দুর্বল, চাইলেই সবকিছু আদায় সম্ভব

সর্বশেষ আপডেট ১২:০৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরান এতটাই দুর্বল হয়ে পড়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্র চাইলে তেহরানের কাছ থেকে যেকোনো কিছু আদায় করে নিতে পারবে। তার ভাষায়, “আমরা যা চাই, তা-ই পাবো।”

১ জুলাই ফ্লোরিডায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, মার্কিন বিমান হামলা ও কঠোর নিষেধাজ্ঞার ফলে ইরান কার্যত ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তার দাবি, “তারা এতটা বিধ্বস্ত যে, সেই জায়গায় পৌঁছাতে আবার কয়েক বছর লাগবে।”

পারমাণবিক চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প বলেন, বর্তমানে সেটা অগ্রাধিকার নয়। তবে ইঙ্গিত দেন, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা প্রভাব বজায় থাকবে।

এদিকে ইরানের পক্ষ থেকে ভিন্ন সুর পাওয়া যাচ্ছে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর শীর্ষ উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আহমাদ ভাহিদি জানিয়েছেন, ইসরায়েল মোকাবিলায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি পুরোপুরি অক্ষত রয়েছে। তার ভাষায়, “আমরা শত্রুদের নিষ্ঠুর জবাব দিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুত।”

ইরানের প্রতিরক্ষাবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ‘দেফা প্রেস’ জানিয়েছে, চলমান সংঘাতে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলে প্রায় ৩১ হাজার ভবন এবং ৪ হাজার যানবাহন সম্পূর্ণ ধ্বংস বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রুশ বার্তা সংস্থা তাসের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এই ধ্বংসযজ্ঞ ‘অপূরণীয়’ এবং ইসরায়েলের জন্য এক গভীর আঘাত।

তবে আলোচনার পথ এখনও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়নি। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি জানিয়েছেন, তাৎক্ষণিক আলোচনার সম্ভাবনা না থাকলেও কূটনৈতিক দরজা এখনো খোলা। মার্কিন রাষ্ট্রদূত স্টিভ উইটকফও স্বীকার করেছেন, ইরানের সঙ্গে পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে আলোচনা চলছে।