ঢাকা ০২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইন্টারনেট বন্ধ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ইরানে কত লাশ পড়ে আছে?

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 78

ইরানের বিভিন্ন শহরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছেন বলে মানবাধিকার সংগঠন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য জানাচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবার রাতের পর দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়।

নরওয়েভিভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে অন্তত ৪৫ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং দুই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতের বিক্ষোভের পর নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার আগে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে একটি ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে অন্তত সাতটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব না হলেও বর্ণনাকারীর দাবি, তেহরানের পশ্চিমে কারাজের কাছে ফারদিস এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এসব মানুষ নিহত হয়েছেন।

মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এখন পর্যন্ত যেসব ঘটনার তথ্য সামনে এসেছে, সেগুলো পুরো চিত্রের সামান্য অংশ হতে পারে। পূর্ণাঙ্গ ইন্টারনেট সংযোগ ফিরে এলে আরও অনেক অজানা মৃত্যুর খবর প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভকারীদের নাশকতাকারী আখ্যা দিয়ে বলেন, অস্থিরতার কাছে তিনি পিছু হটবেন না। এরপর সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিবালয় জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী ও বিচার বিভাগ নাশকতাকারীদের প্রতি কোনো ছাড় দেবে না।

পুলিশ, বিপ্লবী গার্ড বাহিনীও চলমান বিক্ষোভকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের যৌথ ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। এসব বক্তব্যের পর আরও সহিংস দমন অভিযান চালানো হতে পারে বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করছে। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইন্টারনেট বন্ধ, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, ইরানে কত লাশ পড়ে আছে?

সর্বশেষ আপডেট ০১:৫৩:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

ইরানের বিভিন্ন শহরে সাম্প্রতিক বিক্ষোভে অন্তত কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছেন বলে মানবাধিকার সংগঠন ও প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্য জানাচ্ছে। তবে বৃহস্পতিবার রাতের পর দেশজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ করে দেওয়ায় প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা এখনো স্পষ্ট নয়।

নরওয়েভিভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা ইরান হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে ৮ জানুয়ারির মধ্যে অন্তত ৪৫ জন বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছেন এবং দুই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার রাতের বিক্ষোভের পর নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ইরান ইন্টারন্যাশনাল জানিয়েছে, ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ার আগে বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে একটি ভূগর্ভস্থ পার্কিংয়ে অন্তত সাতটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। ভিডিওটির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব না হলেও বর্ণনাকারীর দাবি, তেহরানের পশ্চিমে কারাজের কাছে ফারদিস এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এসব মানুষ নিহত হয়েছেন।

মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন, এখন পর্যন্ত যেসব ঘটনার তথ্য সামনে এসেছে, সেগুলো পুরো চিত্রের সামান্য অংশ হতে পারে। পূর্ণাঙ্গ ইন্টারনেট সংযোগ ফিরে এলে আরও অনেক অজানা মৃত্যুর খবর প্রকাশ পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবার জাতির উদ্দেশে ভাষণে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বিক্ষোভকারীদের নাশকতাকারী আখ্যা দিয়ে বলেন, অস্থিরতার কাছে তিনি পিছু হটবেন না। এরপর সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিবালয় জানায়, নিরাপত্তা বাহিনী ও বিচার বিভাগ নাশকতাকারীদের প্রতি কোনো ছাড় দেবে না।

পুলিশ, বিপ্লবী গার্ড বাহিনীও চলমান বিক্ষোভকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের যৌথ ষড়যন্ত্র বলে দাবি করে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি দেয়। এসব বক্তব্যের পর আরও সহিংস দমন অভিযান চালানো হতে পারে বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করছে। খবর ইরান ইন্টারন্যাশনালের।