ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইতালিতে ফুটবল ম্যাচে বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে ইসরাইল দল

ক্রীড়া ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 109

ইতালিতে ফুটবল ম্যাচে বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে ইসরাইল দল

ইতালির উদিনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইসরাইলের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে গিয়ে দেশটির জাতীয় ফুটবল দল বিক্ষুব্ধ জনতার রোষের মুখে পড়েছে। ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতের বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে পুরো শহর উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে।

ম্যাচের আগে স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকা ‘রেড জোন’ ঘোষণা করা হয় এবং অস্থায়ী ব্যারিকেড বসানো হয়। তবুও বিক্ষুব্ধ জনতা ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ শুরু করলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

আন্দোলনকারীরা গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘ভুয়া শান্তি চুক্তি’ উল্লেখ করে স্থায়ী শান্তি ও ন্যায়বিচারের দাবি জানায়। তারা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ও সীমান্ত খুলে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছে।

বিক্ষোভকারীরা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলোর দ্বিমুখী আচরণের বিরোধিতা করেন এবং রাশিয়ার মতো ইসরাইলকেও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বহিষ্কারের দাবি করেন।

বিক্ষোভের কারণে স্টেডিয়ামে ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার বিপরীতে মাত্র ৯ হাজার টিকিট বিক্রি হয়। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি গাজায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন না করা হয়, তবে প্রতিবাদ আরও তীব্র হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ইতালিতে ফুটবল ম্যাচে বিক্ষুব্ধ জনতার রোষানলে ইসরাইল দল

সর্বশেষ আপডেট ১১:২১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

ইতালির উদিনে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বে ইসরাইলের সঙ্গে ম্যাচ খেলতে গিয়ে দেশটির জাতীয় ফুটবল দল বিক্ষুব্ধ জনতার রোষের মুখে পড়েছে। ফিলিস্তিনে গণহত্যা ও আগ্রাসনের প্রতিবাদে মঙ্গলবার রাতের বিক্ষোভ সহিংস রূপ নিলে পুরো শহর উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে।

ম্যাচের আগে স্টেডিয়াম ও আশপাশের এলাকা ‘রেড জোন’ ঘোষণা করা হয় এবং অস্থায়ী ব্যারিকেড বসানো হয়। তবুও বিক্ষুব্ধ জনতা ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর নিক্ষেপ শুরু করলে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার গ্যাস, জলকামান ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে।

আন্দোলনকারীরা গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে ‘ভুয়া শান্তি চুক্তি’ উল্লেখ করে স্থায়ী শান্তি ও ন্যায়বিচারের দাবি জানায়। তারা ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ও সীমান্ত খুলে ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার কথা বলেছে।

বিক্ষোভকারীরা আন্তর্জাতিক ক্রীড়া সংস্থাগুলোর দ্বিমুখী আচরণের বিরোধিতা করেন এবং রাশিয়ার মতো ইসরাইলকেও আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বহিষ্কারের দাবি করেন।

বিক্ষোভের কারণে স্টেডিয়ামে ২৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার বিপরীতে মাত্র ৯ হাজার টিকিট বিক্রি হয়। আন্দোলনকারীরা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি গাজায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে ইসরাইলকে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া অঙ্গন থেকে বিচ্ছিন্ন না করা হয়, তবে প্রতিবাদ আরও তীব্র হবে।