ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:০১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 143

আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর ঠিক আগে একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ও ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় পাঠ শুরু হয়। মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার দীর্ঘ এই রায়ে ছয়টি প্রধান অংশ রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার রায় পাঠ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী রায়ের বিভিন্ন অংশ উপস্থাপন করেন।

রায়ে তুলে ধরা হয় সাম্প্রতিক সময়ের সাক্ষাৎকারে অভিযুক্তদের বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের পটভূমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর ঘটনাবলি।

বিচারপ্রক্রিয়ার সময় উপস্থাপিত অডিও–ভিডিওসহ বিভিন্ন প্রমাণের বর্ণনা রায়ে বিস্তারিতভাবে স্থান পেয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্যও গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরে ট্রাইব্যুনাল।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে পাওয়া বিভিন্ন ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে ঢাকার যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী গুলি চালানোর প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। রংপুরসহ দেশের অন্যান্য স্থান থেকেও একই ধরনের প্রমাণ আদালতে জমা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের অংশ রায়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে গণ–অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন কথোপকথনের অডিওও আদালতে শোনানো হয়।

রায় ঘোষণার পূর্ণ কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ডের আদেশ

সর্বশেষ আপডেট ০৩:০১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই–আগস্টের গণ–অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর ঠিক আগে একই মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায়ও ঘোষণা করা হয়।

সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-১ এ রায় পাঠ শুরু হয়। মোট ৪৫৩ পৃষ্ঠার দীর্ঘ এই রায়ে ছয়টি প্রধান অংশ রয়েছে। ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার রায় পাঠ শুরু করেন এবং পরবর্তীতে বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী রায়ের বিভিন্ন অংশ উপস্থাপন করেন।

রায়ে তুলে ধরা হয় সাম্প্রতিক সময়ের সাক্ষাৎকারে অভিযুক্তদের বক্তব্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনের পটভূমি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা এবং আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর ঘটনাবলি।

বিচারপ্রক্রিয়ার সময় উপস্থাপিত অডিও–ভিডিওসহ বিভিন্ন প্রমাণের বর্ণনা রায়ে বিস্তারিতভাবে স্থান পেয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্যও গুরুত্ব সহকারে তুলে ধরে ট্রাইব্যুনাল।

জুলাই গণ–অভ্যুত্থান চলাকালে পাওয়া বিভিন্ন ভিডিওচিত্রের মাধ্যমে ঢাকার যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, বাড্ডা, সাভার ও আশুলিয়াসহ বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর প্রাণঘাতী গুলি চালানোর প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়। রংপুরসহ দেশের অন্যান্য স্থান থেকেও একই ধরনের প্রমাণ আদালতে জমা দেওয়া হয়।

এ ছাড়া মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনের অংশ রায়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। একই সঙ্গে গণ–অভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে শেখ হাসিনার টেলিফোন কথোপকথনের অডিওও আদালতে শোনানো হয়।

রায় ঘোষণার পূর্ণ কার্যক্রম বাংলাদেশ টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়েছে।