ঢাকা ০৬:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আর মাত্র ৩ দিন পর বন্ধ হয়ে যাবে অতিরিক্ত সিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫
  • / 111

সিম কার্ড

একজন গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বরে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকলে আগামী ৩০ অক্টোবরের পর থেকে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিটিআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রাহকরা তাদের এনআইডিতে পছন্দমতো ১০টি সিম রেখে অতিরিক্ত সিমগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল বা মালিকানা পরিবর্তনের আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে। সময়সীমা শেষ হলে বিটিআরসি দৈবচয়ন (র‌্যান্ডম সিলেকশন) পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে।

গ্রাহকরা সহজেই জানতে পারবেন তাদের এনআইডিতে মোট কতটি সিম নিবন্ধিত আছে। এজন্য যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে *16001# ডায়াল করে এনআইডির শেষ চারটি সংখ্যা পাঠালেই তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া যাবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ সিম ব্যবহার, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের মতে, এই পদক্ষেপ সঠিক মালিকানা নিশ্চিত এবং সিম নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

‘দৈবচয়ন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে তা ব্যাখ্যা করে বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, এটি মূলত র‌্যান্ডম সিলেকশন পদ্ধতি—যেখানে কোনো মানবিক সিদ্ধান্ত বা প্রভাবের সুযোগ থাকবে না। কম্পিউটার অ্যালগরিদম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত সিমগুলোর মধ্য থেকে কিছু সিম বেছে নিয়ে বাতিল করবে। অর্থাৎ, যদি কারও নামে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকে, তবে কোন সিমগুলো বন্ধ হবে, তা সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে এলোমেলোভাবে নির্ধারিত হবে।

বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে সক্রিয় সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। এর মধ্যে প্রকৃত মোবাইল গ্রাহক প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ। মোট গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের নামে ৫টির কম সিম, ১৬ শতাংশের নামে ৬ থেকে ১০টি সিম, আর মাত্র ৩ শতাংশ গ্রাহকের নামে ১১টির বেশি সিম রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আর মাত্র ৩ দিন পর বন্ধ হয়ে যাবে অতিরিক্ত সিম

সর্বশেষ আপডেট ১০:১০:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৫

একজন গ্রাহকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বরে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকলে আগামী ৩০ অক্টোবরের পর থেকে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। সম্প্রতি বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

বিটিআরসির বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গ্রাহকরা তাদের এনআইডিতে পছন্দমতো ১০টি সিম রেখে অতিরিক্ত সিমগুলো নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাতিল বা মালিকানা পরিবর্তনের আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করতে হবে। সময়সীমা শেষ হলে বিটিআরসি দৈবচয়ন (র‌্যান্ডম সিলেকশন) পদ্ধতিতে অতিরিক্ত সিমগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে।

গ্রাহকরা সহজেই জানতে পারবেন তাদের এনআইডিতে মোট কতটি সিম নিবন্ধিত আছে। এজন্য যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে *16001# ডায়াল করে এনআইডির শেষ চারটি সংখ্যা পাঠালেই তাৎক্ষণিকভাবে তথ্য পাওয়া যাবে।

বিটিআরসি জানিয়েছে, অবৈধ সিম ব্যবহার, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কমিশনের মতে, এই পদক্ষেপ সঠিক মালিকানা নিশ্চিত এবং সিম নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আরও স্বচ্ছ ও নিরাপদ করার অংশ হিসেবে নেওয়া হয়েছে।

‘দৈবচয়ন’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে তা ব্যাখ্যা করে বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, এটি মূলত র‌্যান্ডম সিলেকশন পদ্ধতি—যেখানে কোনো মানবিক সিদ্ধান্ত বা প্রভাবের সুযোগ থাকবে না। কম্পিউটার অ্যালগরিদম স্বয়ংক্রিয়ভাবে অতিরিক্ত সিমগুলোর মধ্য থেকে কিছু সিম বেছে নিয়ে বাতিল করবে। অর্থাৎ, যদি কারও নামে ১০টির বেশি সিম নিবন্ধিত থাকে, তবে কোন সিমগুলো বন্ধ হবে, তা সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার প্রোগ্রামের মাধ্যমে এলোমেলোভাবে নির্ধারিত হবে।

বিটিআরসির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মার্চ পর্যন্ত দেশে সক্রিয় সিমের সংখ্যা ১৮ কোটি ৬২ লাখ। এর মধ্যে প্রকৃত মোবাইল গ্রাহক প্রায় ৬ কোটি ৭৫ লাখ। মোট গ্রাহকের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশের নামে ৫টির কম সিম, ১৬ শতাংশের নামে ৬ থেকে ১০টি সিম, আর মাত্র ৩ শতাংশ গ্রাহকের নামে ১১টির বেশি সিম রয়েছে।