আমার বিছানায় বসে প্রেম: ত্বহার স্ত্রী
- সর্বশেষ আপডেট ০৪:৫৭:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
- / 187
আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনানের স্ত্রী সাবিকুন নাহার সারাহ বলেছেন, “আমার বিছানায় বসে প্রেম করেন এক এয়ার হোস্টেস নারীর সঙ্গে। তিনি মাশাআল্লাহ। সেন্টারে কাজ থাকার কারণে রাত ৩টায় বাসায় আসেন। এসে আবার জানান, তিনি তার প্রেমিকার সঙ্গে কথা বলেন। তিনি যা-ই করেন, তা গোপন রাখেন না। কারণ তিনিই সবচেয়ে বড়।”
শনিবার সকালে (১১ অক্টোবর) সাবিকুন নাহার সারাহ এ বিষয়ে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন। রংপুরের আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনানকে নিয়ে এর আগে গত ২ অক্টোবর রাতেও একই পোস্ট করেছিলেন তিনি। এতে শুরু হয় আলোচনা। পরে ৬ অক্টোবর আবু ত্বহা মোহাম্মদ আদনান ফেসবুক পোস্টে স্ত্রীর অভিযোগের ব্যাখ্যা দেন। তখন সেই পোস্টটি স্ত্রী সরিয়ে ফেলেন এবং ক্ষমাও চান।
তবে আজ সকালে পুনরায় পোস্ট দিলে বিষয়টি নতুন মোড় নেয়। সাবিকুন নাহার সারাহর পোস্টে উল্লেখ রয়েছে—
“এয়ার হোস্টেসদের হয়তো সেলিব্রিটি পছন্দ, আর সেলিব্রিটিগণও হয়তো এয়ার হোস্টেসদের।
আপনাদের উস্তাদ Abu Taw Haa Muhammad Adnan প্রেমে মজেছেন জারিন জেবিন নামক তার ১৫ বছর আগের কলেজ লাইফের প্রিয়তমা, বর্তমানে এয়ার হোস্টেস। তখন উস্তাদ তাকে চেয়েছিলেন, কিন্তু তার পরিবার আর্থিক কারণে অনুমতি দেয়নি। এখন আবার জারিন জেবিন উস্তাদকে চাইছেন।
পুরোনো প্রেম নতুন রূপে, একটু বেশি ফিলিংসে ডুবেছেন। তারা নিয়মিত চ্যাট বক্সে ফিলিংস আদান-প্রদান করছেন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা সেন্টারে বসে ফোনে কথা বলছেন। এছাড়া লং ড্রাইভ ও অফিসরুমে সাক্ষাতের ইচ্ছাও প্রকাশ করেন।
উস্তাদর প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন আয়োজন ও ক্লাসের নামে নারীর সঙ্গে একান্তে মিট করার সুযোগ তৈরি করে। নারী-পুরুষ একসাথে কো-এডুকেশন ক্লাসে বসে আলোচনা করেন। যিনি এই ধরনের মেলামেশার বিরোধিতা করেন, তারই প্রতিষ্ঠানগুলোতে তা চলছে। আমি চেষ্টা করতাম তাকে বিরত রাখতে, কিন্তু এতে আমাকে আশপাশের সবার কাছে সবচেয়ে জঘন্য বানানো হয়। নিজেই চিৎকার করে আমাকে দোষী সাব্যস্ত করেন, নানা তোহমত চাপিয়ে দেন।”
সাবিকুন নাহার সারাহ বলেন, “যা-ই করেন, তা গোপন রাখেন না, কারণ তিনিই সবচেয়ে বড়।”
ত্বহাপত্নী আরও বলেন, “এয়ার হোস্টেস জারিন জেবিনের সঙ্গে এনগেজ হওয়ার আগে রংপুরের আরেক মেয়ে, যিনি কোনো এক ওমরাহ প্রতিযোগিতার স্টুডেন্ট এবং আলেমা, উস্তাদের বিয়ের প্রস্তাব পেয়েছিলেন। তিনি মেয়েটিকে ইফতা পড়াবেন, দ্বীনের কাজ করবেন, বিয়ের কথাও জানিয়েছিলেন। পরে জারিন জেবিনকে পাওয়ার পর সেই আলেমা মেয়েকে নানা অজুহাত দেখিয়ে বিয়ে করতে অস্বীকার করেন। তখন সেই মহীয়সী নারী উস্তাদের প্রেমে পাগল হয়ে অপেক্ষার পথ বেছে নেন। উস্তাদও বিয়ে করলে তাকে করবে বলে কথা দিয়েছেন।”
































