ঢাকা ১১:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আমাদের সবারই লজ্জা হওয়া উচিত : মুশফিক

ক্রীড়া প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫
  • / 104

ক্রিকেটার মুশফিক

বাংলাদেশে ক্রিকেটের ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম খুব কমই রয়েছে। হাতেগোনা কয়েকটি স্টেডিয়াম ব্যতীত অধিকাংশ মাঠেই নেই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। তবে জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম মুগ্ধ হয়েছেন বসুন্ধরা ক্রিকেট নেটওয়ার্কের সুযোগ-সুবিধাতে।

বুধবার (২০ আগস্ট) ফিজিক্যালি ডিজঅ্যাবলড ক্রিকেটারদের নিয়ে দুই দিনের ট্রায়াল ও সিলেকশন পর্ব পরিদর্শনে যান মুশফিক।

জাতীয় প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশের উদ্যোগে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রিকেটারদের নিয়ে এ ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।

পরিদর্শন শেষে বসুন্ধরা ক্রিকেট নেটওয়ার্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘এটা দেখে আমাদের সবারই লজ্জা হওয়া উচিত। ক্রিকেট তো দূরের কথা, (বাংলাদেশের) কোনো জাতীয় দলেরই এরকম সুবিধা নেই। যেটা কিনা খুবই মৌলিক সুবিধা হওয়া উচিত। কারণ আপনি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে না পারলে ক্রিকেটার বের করে আনা কঠিন।’

বসুন্ধরার এমন উদ্যোগ দেখে দেশের ক্রিকেটের নীতিনির্ধারকরা উজ্জীবিত হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা মুশফিকের। ‘এই সুযোগ-সুবিধা দেখে আমাদের নীতিনির্ধারকরা যদি উজ্জীবিত না হয়, তাহলে আফসোস ছাড়া আর কিছু বলার নেই। তবে এটা অবশ্যই প্রেরণাদায়ী একটা জিনিস। একটু দেরি হলেও, উনারা (বসুন্ধরা) মতো এত বড় একটা গ্রুপ এই কাজটা করেছে। আশা করি, এখান থেকে অনেক ক্রিকেটার উপকৃত হবে।’ যোগ করেন মুশফিক।

উল্লেখ্য, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রিকেটারদের উৎসাহ জোগাতে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দলের সাবেক দুই অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও হাবিবুল বাশার সুমন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমানে ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আমাদের সবারই লজ্জা হওয়া উচিত : মুশফিক

সর্বশেষ আপডেট ০৫:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশে ক্রিকেটের ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের স্টেডিয়াম খুব কমই রয়েছে। হাতেগোনা কয়েকটি স্টেডিয়াম ব্যতীত অধিকাংশ মাঠেই নেই পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা। তবে জাতীয় দলের ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম মুগ্ধ হয়েছেন বসুন্ধরা ক্রিকেট নেটওয়ার্কের সুযোগ-সুবিধাতে।

বুধবার (২০ আগস্ট) ফিজিক্যালি ডিজঅ্যাবলড ক্রিকেটারদের নিয়ে দুই দিনের ট্রায়াল ও সিলেকশন পর্ব পরিদর্শনে যান মুশফিক।

জাতীয় প্যারালিম্পিক কমিটি অব বাংলাদেশের উদ্যোগে তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রিকেটারদের নিয়ে এ ক্যাম্প আয়োজন করা হয়।

পরিদর্শন শেষে বসুন্ধরা ক্রিকেট নেটওয়ার্কের ভূয়সী প্রশংসা করেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘এটা দেখে আমাদের সবারই লজ্জা হওয়া উচিত। ক্রিকেট তো দূরের কথা, (বাংলাদেশের) কোনো জাতীয় দলেরই এরকম সুবিধা নেই। যেটা কিনা খুবই মৌলিক সুবিধা হওয়া উচিত। কারণ আপনি সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে না পারলে ক্রিকেটার বের করে আনা কঠিন।’

বসুন্ধরার এমন উদ্যোগ দেখে দেশের ক্রিকেটের নীতিনির্ধারকরা উজ্জীবিত হবেন, এমনটাই প্রত্যাশা মুশফিকের। ‘এই সুযোগ-সুবিধা দেখে আমাদের নীতিনির্ধারকরা যদি উজ্জীবিত না হয়, তাহলে আফসোস ছাড়া আর কিছু বলার নেই। তবে এটা অবশ্যই প্রেরণাদায়ী একটা জিনিস। একটু দেরি হলেও, উনারা (বসুন্ধরা) মতো এত বড় একটা গ্রুপ এই কাজটা করেছে। আশা করি, এখান থেকে অনেক ক্রিকেটার উপকৃত হবে।’ যোগ করেন মুশফিক।

উল্লেখ্য, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ক্রিকেটারদের উৎসাহ জোগাতে মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ দলের সাবেক দুই অধিনায়ক তামিম ইকবাল ও হাবিবুল বাশার সুমন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সাবেক ক্রিকেটার ও বর্তমানে ধারাভাষ্যকার আতহার আলী খান।