ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
আদালতে দীপু মনি

আমাদের কি মরে প্রমাণ করতে হবে যে আমরা অসুস্থ?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 123

আদালতে দীপু মনি

জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত একটি হত্যা মামলায় রিমান্ড শুনানির সময় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি আদালতে প্রশ্ন করেন, “আমাদের কি মরে প্রমাণ করতে হবে যে আমরা অসুস্থ?” তিনি অভিযোগ করেন, তাকে হাসপাতালে নেওয়া হবে বলে আদালতে হাজির করা হয়েছে, কিন্তু এখন ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হচ্ছে।

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে তাকে হাজির করা হয়। গত বছর শাহবাগ থানার ঝুট ব্যবসায়ী মনির হোসেন হত্যার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইনুল ইসলাম খান পুলক দীপু মনির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে, তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী জানান, আসামি দীপু মনি জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতাকে হত্যার ঘটনায় সরাসরি সহযোগিতা করেছেন। রিমান্ডের মাধ্যমে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা উদ্‌ঘাটন করা প্রয়োজন।

আইনজীবী পক্ষের যুক্তি, দীপু মনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এবং মামলার সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। পূর্বেও তাকে কয়েকবার রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, তাই নতুন রিমান্ডের যৌক্তিকতা নেই।

আদালতের অনুমতি নিয়ে দীপু মনি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। কিন্তু কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসা নেই। আমাদের কি মরে প্রমাণ করতে হবে যে আমরা অসুস্থ?”

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাল্টা মন্তব্য করেন, “দীপু মনির গলার আওয়াজই প্রমাণ করে তিনি কতটুকু অসুস্থ। সত্যিকারের তিনি সুস্থই আছেন।”

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদেশের পর দীপু মনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আদালতে দীপু মনি

আমাদের কি মরে প্রমাণ করতে হবে যে আমরা অসুস্থ?

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৩৭:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ অক্টোবর ২০২৫

জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত একটি হত্যা মামলায় রিমান্ড শুনানির সময় সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি আদালতে প্রশ্ন করেন, “আমাদের কি মরে প্রমাণ করতে হবে যে আমরা অসুস্থ?” তিনি অভিযোগ করেন, তাকে হাসপাতালে নেওয়া হবে বলে আদালতে হাজির করা হয়েছে, কিন্তু এখন ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হচ্ছে।

আজ সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমানের আদালতে তাকে হাজির করা হয়। গত বছর শাহবাগ থানার ঝুট ব্যবসায়ী মনির হোসেন হত্যার মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মাইনুল ইসলাম খান পুলক দীপু মনির ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন। অন্যদিকে, তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল করে জামিনের আবেদন করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ঢাকা মহানগর পিপি ওমর ফারুক ফারুকী জানান, আসামি দীপু মনি জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতাকে হত্যার ঘটনায় সরাসরি সহযোগিতা করেছেন। রিমান্ডের মাধ্যমে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা উদ্‌ঘাটন করা প্রয়োজন।

আইনজীবী পক্ষের যুক্তি, দীপু মনি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এবং মামলার সঙ্গে তাঁর কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। পূর্বেও তাকে কয়েকবার রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, তাই নতুন রিমান্ডের যৌক্তিকতা নেই।

আদালতের অনুমতি নিয়ে দীপু মনি কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। কিন্তু কারাগারে পর্যাপ্ত চিকিৎসা নেই। আমাদের কি মরে প্রমাণ করতে হবে যে আমরা অসুস্থ?”

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাল্টা মন্তব্য করেন, “দীপু মনির গলার আওয়াজই প্রমাণ করে তিনি কতটুকু অসুস্থ। সত্যিকারের তিনি সুস্থই আছেন।”

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত সাবেক মন্ত্রী দীপু মনির চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। আদেশের পর দীপু মনি আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলেন।