ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আপত্তিকর অবস্থায় আটক ছাত্রদল নেতা, থানাতেই বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:১০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / 154

আপত্তিকর অবস্থায় আটক ছাত্রদল নেতা, থানাতেই বিয়ে

বরিশাল নগরীতে এক তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছেন ছাত্রদলের এক নেতা। মঙ্গলবার (১০ জুন) দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে নগরীর গ্যাসটাবাইন বাজারসংলগ্ন একটি বাসা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ ওই নেতাকে তরুণীসহ আটক করে। পরবর্তীতে থানাতেই তার সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম মেহেদী হাসান। তিনি মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির জানান, পাঁচ মাস আগে ওই তরুণীর সঙ্গে মেহেদীর পরিচয় হয়। তরুণী বরিশালের একটি ওষুধ তৈরির কারখানায় চাকরি করেন। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং মেহেদী নিয়মিত বরিশালে এসে তরুণীর সঙ্গে দেখা করতেন।

আটকের পরদিন, ১১ জুন দুপুরে, উভয় পক্ষের পরিবার এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় উপস্থিত হন। সেখানে আলোচনার মাধ্যমে ছেলেটি ও মেয়েটির বিয়েতে সম্মত হন সবাই।

পরবর্তীতে ৩০০ টাকার অঙ্গীকারনামায় উভয় পরিবারের স্বাক্ষর এবং সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বরিশাল আদালত এলাকায় এক আইনজীবীর চেম্বারে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপরই মেহেদী হাসানকে ছেড়ে দেয় থানা পুলিশ।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপত্তিকর অবস্থায় আটক ছাত্রদল নেতা, থানাতেই বিয়ে

সর্বশেষ আপডেট ০৮:১০:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫

বরিশাল নগরীতে এক তরুণীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় আটক হয়েছেন ছাত্রদলের এক নেতা। মঙ্গলবার (১০ জুন) দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে নগরীর গ্যাসটাবাইন বাজারসংলগ্ন একটি বাসা থেকে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশ ওই নেতাকে তরুণীসহ আটক করে। পরবর্তীতে থানাতেই তার সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ের ব্যবস্থা করা হয়।

আটক ব্যক্তির নাম মেহেদী হাসান। তিনি মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ছাত্রদলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়।

কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) হুমায়ুন কবির জানান, পাঁচ মাস আগে ওই তরুণীর সঙ্গে মেহেদীর পরিচয় হয়। তরুণী বরিশালের একটি ওষুধ তৈরির কারখানায় চাকরি করেন। পরিচয়ের সূত্র ধরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং মেহেদী নিয়মিত বরিশালে এসে তরুণীর সঙ্গে দেখা করতেন।

আটকের পরদিন, ১১ জুন দুপুরে, উভয় পক্ষের পরিবার এবং বিএনপি ও ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী থানায় উপস্থিত হন। সেখানে আলোচনার মাধ্যমে ছেলেটি ও মেয়েটির বিয়েতে সম্মত হন সবাই।

পরবর্তীতে ৩০০ টাকার অঙ্গীকারনামায় উভয় পরিবারের স্বাক্ষর এবং সাক্ষীদের উপস্থিতিতে বরিশাল আদালত এলাকায় এক আইনজীবীর চেম্বারে তাদের বিয়ে সম্পন্ন হয়। এরপরই মেহেদী হাসানকে ছেড়ে দেয় থানা পুলিশ।