ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্দোলনের পর এনবিআরে ‘ক্ষমা’র পালা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
  • / 512

এনবিআরের শাটডাউন কর্মসূচি প্রত্যাহার

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চলমান সংকট ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দুই শতাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে ব্যাচভিত্তিকভাবে চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে তারা এই দুঃখ প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ক্ষমা চাওয়াদের মধ্যে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও ছিলেন। দেখা করতে যাওয়া ব্যাচগুলোর মধ্যে রয়েছে: ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩৩, ৩৮ ও ৪০তম ব্যাচের কর্মকর্তারা।

তারা বলেন, রাজস্ব আহরণ এবং মাঠপর্যায়ে শৃঙ্খলা ও কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনার স্বার্থে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অর্ধশতাধিক কর্মকর্তাও চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।

চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান তাদের বলেন, “দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজস্ব আদায়ে মনোযোগী হতে হবে।” এর আগের দিন, সোমবার, আরও কয়েকজন কর্মকর্তাও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ মে সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের মাধ্যমে এনবিআর ও আইআরডি বিলুপ্ত করে দুটি পৃথক বিভাগ—রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ—গঠন করা হয়। এর প্রতিবাদে এনবিআর কর্মকর্তারা কলম বিরতি, শাটডাউনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।

পরে ব্যবসায়ী নেতাদের অনুরোধে এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়। তবে আন্দোলন প্রত্যাহারের পরপরই কিছু কর্মকর্তার বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসর ও দুদকের অনুসন্ধান শুরু হওয়ায় এনবিআরের বিভিন্ন স্তরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “যারা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করবেন, তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে কেউ সীমা লঙ্ঘন করলে তা আলাদাভাবে বিবেচিত হবে।”

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আন্দোলনের পর এনবিআরে ‘ক্ষমা’র পালা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৩৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডে (এনবিআর) চলমান সংকট ও আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে দুই শতাধিক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খানের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) আগারগাঁওয়ের রাজস্ব ভবনে ব্যাচভিত্তিকভাবে চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করে তারা এই দুঃখ প্রকাশ করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, ক্ষমা চাওয়াদের মধ্যে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও ছিলেন। দেখা করতে যাওয়া ব্যাচগুলোর মধ্যে রয়েছে: ২৮, ২৯, ৩০, ৩১, ৩৩, ৩৮ ও ৪০তম ব্যাচের কর্মকর্তারা।

তারা বলেন, রাজস্ব আহরণ এবং মাঠপর্যায়ে শৃঙ্খলা ও কর্মপরিবেশ ফিরিয়ে আনার স্বার্থে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অর্ধশতাধিক কর্মকর্তাও চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং ভবিষ্যতে একযোগে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।

চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান তাদের বলেন, “দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাজস্ব আদায়ে মনোযোগী হতে হবে।” এর আগের দিন, সোমবার, আরও কয়েকজন কর্মকর্তাও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানা গেছে।

উল্লেখ্য, গত ১২ মে সরকারের জারি করা অধ্যাদেশের মাধ্যমে এনবিআর ও আইআরডি বিলুপ্ত করে দুটি পৃথক বিভাগ—রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ—গঠন করা হয়। এর প্রতিবাদে এনবিআর কর্মকর্তারা কলম বিরতি, শাটডাউনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন।

পরে ব্যবসায়ী নেতাদের অনুরোধে এবং দেশের অর্থনীতির স্বার্থে এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদ আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়। তবে আন্দোলন প্রত্যাহারের পরপরই কিছু কর্মকর্তার বরখাস্ত, বাধ্যতামূলক অবসর ও দুদকের অনুসন্ধান শুরু হওয়ায় এনবিআরের বিভিন্ন স্তরে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এক সংবাদ সম্মেলনে এনবিআর চেয়ারম্যান বলেন, “যারা দায়িত্বশীলভাবে কাজ করবেন, তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই। তবে কেউ সীমা লঙ্ঘন করলে তা আলাদাভাবে বিবেচিত হবে।”