ঢাকা ০১:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 167

আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন প্রত্যাহারে রাজি না হলে সব আন্দোলনকারীদের হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনে গুম বা অপহরণ হওয়ার পর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের এই হুমকি দিতেন।

তিনি ট্রাইব্যুনালে বলেন, ২০০৬ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় এই তথ্য উপস্থাপন করেছেন। আদালতে আসিফ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর দুইটায় প্রবেশ করেন।

আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া জানান, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন স্থাপনায় নিজেদেরই আগুন দিয়ে সরকারের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেছিল ফ্যাসিস্ট সরকার। এছাড়া গুমে জড়িত ব্যক্তিদের জোর করে প্যাথেড্রিন ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করা হতো।

তিনি বলেন, জুলাই মাসে যে নির্মমতা সংঘটিত হয়েছিল, তার বর্ণনা তুলে ধরে পলাতক সরকার প্রধান শেখ হাসিনাসহ জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত সকলের বিচার দাবি করেন তিনি। গুমে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারেরও দাবি জানান।

আসিফ জানান, বিচার শুরু ও তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগে তিনি সন্তুষ্ট। এছাড়া পলাতক শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকারের উদ্যোগের তথ্যও তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আজ বেলা পৌনে তিনটা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দেন আসিফ। মামলার বিচার আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আন্দোলনকারীদের হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন শেখ হাসিনা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৯:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলন প্রত্যাহারে রাজি না হলে সব আন্দোলনকারীদের হত্যা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আন্দোলনে গুম বা অপহরণ হওয়ার পর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা আন্দোলনকারীদের এই হুমকি দিতেন।

তিনি ট্রাইব্যুনালে বলেন, ২০০৬ সালের ৫ আগস্ট রাজধানীর চানখারপুলে ছয়জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় এই তথ্য উপস্থাপন করেছেন। আদালতে আসিফ বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর দুইটায় প্রবেশ করেন।

আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া জানান, রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন স্থাপনায় নিজেদেরই আগুন দিয়ে সরকারের ওপর দায় চাপানোর চেষ্টা করেছিল ফ্যাসিস্ট সরকার। এছাড়া গুমে জড়িত ব্যক্তিদের জোর করে প্যাথেড্রিন ইনজেকশন দিয়ে অজ্ঞান করা হতো।

তিনি বলেন, জুলাই মাসে যে নির্মমতা সংঘটিত হয়েছিল, তার বর্ণনা তুলে ধরে পলাতক সরকার প্রধান শেখ হাসিনাসহ জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত সকলের বিচার দাবি করেন তিনি। গুমে জড়িত সেনা কর্মকর্তাদের দ্রুত গ্রেপ্তারেরও দাবি জানান।

আসিফ জানান, বিচার শুরু ও তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগে তিনি সন্তুষ্ট। এছাড়া পলাতক শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে সরকারের উদ্যোগের তথ্যও তিনি সাক্ষ্য দিয়েছেন।

আজ বেলা পৌনে তিনটা থেকে সাড়ে চারটা পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালে সাক্ষী দেন আসিফ। মামলার বিচার আগামী ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে।