আগৈলঝাড়ায় রোগাক্রান্ত বকনা বাছুর ফেরত পাঠিয়েছে ইউএনও
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:১১:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ জুন ২০২৫
- / 218
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় ওজনে কম ও রোগাক্রান্ত বকনা বাছুর বিতরণ না করে ফেরত পাঠিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার সকালে আগৈলঝাড়া উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। বকনা বাছুর নিতে আসা ৮৫ জন মৎস্যজীবীর মধ্যে ৪৫ জন খালি হাতে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় আগৈলঝাড়া উপজেলা মৎস্য অফিস ও উপজেলা প্রশাসনের সহায়তায় ৮৫ জন মৎস্যজীবীর মধ্যে বকনা বাছুর বিতরণের কথা ছিল। দেশীয় মাছের প্রজনন রক্ষা এবং জেলেদের বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে মৎস্য অধিদপ্তর।
সিমেন্স অ্যালায়েন্স বিডি লিমিটেড নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ধীরেন্দ্র নাথ এই বাছুর সরবরাহের কাজ পান। তার পক্ষে তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল ব্যাপারী মানিকগঞ্জ ও দিনাজপুর থেকে বাছুর নিয়ে আগৈলঝাড়ায় পৌঁছান।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মানিক মল্লিক বলেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারিহা তানজিন বকনা বাছুর বিতরণে এসে দেখতে পান, বিতরণের জন্য রাখা অধিকাংশ বাছুরই রোগাক্রান্ত ও ওজনে কম। তিনি আরও বলেন, ৭০ কেজি ওজনের বাছুর দেওয়ার কথা থাকলেও সরবরাহকৃত বাছুরগুলোর ওজন ছিল ৫৫ থেকে ৬০ কেজি।
এ কারণে ইউএনও ফারিহা তানজিন বিতরণ বন্ধ করে প্রতিটি বাছুর ওজন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ৪০টি বাছুর বিতরণ করেন। বাকি ৪৫টি বাছুর ঠিকাদারের কাছে ফেরত পাঠানো হয়।
সুবিধাভোগী মনিরুজ্জামান ফকির, তোফাজ্জল হোসেন ও মাহাবুব ইসলাম বলেন, আমরা দিনের কাজ ফেলে এসে বাছুর নিতে এসে খালি হাতে ফিরে যাচ্ছি।
তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল ব্যাপারী বলেন, মানিকগঞ্জ ও দিনাজপুর থেকে ট্রাকযোগে আনায় বাছুরগুলোর ওজন কিছুটা কমে গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মানিক মল্লিক বলেন, যেসব বাছুর রোগাক্রান্ত বা ওজনে কম, সেগুলো ফেরত পাঠানো হয়েছে। পরবর্তীতে যাচাই-বাছাই করে সেগুলোই মৎস্যজীবীদের মধ্যে বিতরণ করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারিহা তানজিন বলেন, যাচাই-বাছাই করে ৪০টি বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। বাকি ৪৫টি বাছুর ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান পুনরায় সরবরাহ করলে তা বিতরণ করা হবে।

































