ঢাকা ১০:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অ্যামনেস্টি খোলা চিঠিতে ড.ইউনূসকে কি লিখেছে ?

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 7

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে মানবাধিকার রক্ষা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ক্যালামার্ড লিখেছেন, বাংলাদেশ যখন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, তখন এটি জন আস্থা পুনরুদ্ধার, সুশাসন জোরদার এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পূর্ণ সম্মান নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ সময়।

তিনি সতর্ক করেছেন যে, দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটেছে। এতে রয়েছে—গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচার আটক, নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিধিনিষেধ, এবং সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই লঙ্ঘনগুলোর ফলে নাগরিক পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দুর্বল হয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের দায়মুক্তি গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ক্যালামার্ড অনুরোধ করেছেন, নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এই চ্যালেঞ্জগুলো বিবেচনা করে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা হোক।

তিনি গঠনমূলক সংলাপ এবং সব পক্ষের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয়।

চিঠিটি ২৮ জানুয়ারি লেখা হয় এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অ্যামনেস্টি খোলা চিঠিতে ড.ইউনূসকে কি লিখেছে ?

সর্বশেষ আপডেট ০৬:৪২:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব অ্যাগনেস ক্যালামার্ড খোলা চিঠি লিখেছেন। চিঠিতে তিনি আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে মানবাধিকার রক্ষা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত এবং মৌলিক অধিকার সংরক্ষণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ক্যালামার্ড লিখেছেন, বাংলাদেশ যখন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া জাতীয় নির্বাচনের দিকে এগোচ্ছে, তখন এটি জন আস্থা পুনরুদ্ধার, সুশাসন জোরদার এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসনের পূর্ণ সম্মান নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ সময়।

তিনি সতর্ক করেছেন যে, দেশের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রেক্ষাপটে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটেছে। এতে রয়েছে—গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচার আটক, নির্যাতন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশে বিধিনিষেধ, এবং সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক ব্যবস্থা।

চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, এই লঙ্ঘনগুলোর ফলে নাগরিক পরিসর ক্রমশ সংকুচিত হয়েছে, প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দুর্বল হয়েছে এবং রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের দায়মুক্তি গভীরভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ক্যালামার্ড অনুরোধ করেছেন, নির্বাচনের প্রস্তুতিতে এই চ্যালেঞ্জগুলো বিবেচনা করে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করা হোক।

তিনি গঠনমূলক সংলাপ এবং সব পক্ষের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব হয়।

চিঠিটি ২৮ জানুয়ারি লেখা হয় এবং অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।