ঢাকা ০৩:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া নবজাতকটিও আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরগুনা
  • সর্বশেষ আপডেট ১২:১৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
  • / 155

দুর্ঘটনাকবলিত বাস

বরগুনার আমতলীতে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। দুর্ঘটনার পর অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া পাঁচ দিনের এক নবজাতকও পরে হাসপাতালে মারা গেছে।

শনিবার (২১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের কেওয়াবুনিয়া আটঘর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার যাত্রী সোনাখালী এলাকার আজিজুল খান এবং তার মেয়ে মোসাদ্দিকা আকতার ঘটনাস্থলেই মারা যান।

দুর্ঘটনায় মোসাদ্দিকার পাঁচ দিন বয়সী সন্তান এবং তার শাশুড়ি মোসাম্মৎ খালেদা বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা বেগমের মৃত্যু হয়। নবজাতকটিকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের আট ঘণ্টার চেষ্টা সত্ত্বেও শিশুটি মারা যায়।

এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক ও হতাশা নেমে এসেছে স্থানীয় এলাকাজুড়ে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া নবজাতকটিও আর নেই

সর্বশেষ আপডেট ১২:১৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

বরগুনার আমতলীতে বাস ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন তিনজন। দুর্ঘটনার পর অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া পাঁচ দিনের এক নবজাতকও পরে হাসপাতালে মারা গেছে।

শনিবার (২১ জুন) বিকেল ৩টার দিকে ঢাকা-কুয়াকাটা মহাসড়কের কেওয়াবুনিয়া আটঘর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ জানায়, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশার যাত্রী সোনাখালী এলাকার আজিজুল খান এবং তার মেয়ে মোসাদ্দিকা আকতার ঘটনাস্থলেই মারা যান।

দুর্ঘটনায় মোসাদ্দিকার পাঁচ দিন বয়সী সন্তান এবং তার শাশুড়ি মোসাম্মৎ খালেদা বেগম গুরুতর আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় খালেদা বেগমের মৃত্যু হয়। নবজাতকটিকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়, কিন্তু চিকিৎসকদের আট ঘণ্টার চেষ্টা সত্ত্বেও শিশুটি মারা যায়।

এই দুর্ঘটনায় গভীর শোক ও হতাশা নেমে এসেছে স্থানীয় এলাকাজুড়ে।