অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তানজিন তিশার স্পষ্ট বিবৃতি
- সর্বশেষ আপডেট ০৩:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ নভেম্বর ২০২৫
- / 70
কলকাতার সিনেমা ‘ভালোবাসার মরশুম’-এ অভিনয় করা নিয়ে অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে ছবিটির ভারতীয় প্রযোজক সরিফুল ধাবক তানজিন তিশার বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন।
তার দাবি, তিশা অগ্রিম নেওয়া টাকা ফেরত দিচ্ছেন না।
এ পরিস্থিতিতে তানজিন তিশা আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
অভিনেত্রী জানিয়েছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় যে অভিযোগগুলো ছড়ানো হচ্ছে—সেগুলো সম্পূর্ণ মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর এবং তার কর্মজীবন ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে প্রকাশ করা হয়েছে।
তানজিন তিশা আরও জানান, ছবিটির জন্য তিনি চুক্তিবদ্ধ হন আইনজীবীর মাধ্যমে চুক্তিপত্র যাচাই করে। চুক্তিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল—বিদেশ ভ্রমণ, ভিসা, ফ্লাইট, থাকা–খাওয়া—সব দায়িত্ব পরিচালক ও প্রযোজকের।
তার ভাষায়, “দুর্ভাগ্যজনকভাবে তারা আমার ভিসা করিয়ে দিতে পারেনি। আমি ব্যক্তিগত চেষ্টায়ও ভিসা পাইনি। চুক্তি অনুযায়ী ভিসাসংক্রান্ত সব দায়িত্ব পরিচালকের। তাই এই ব্যর্থতার দায় আমার নয়, এটি সম্পূর্ণ তাদের ব্যর্থতা।”
তিনি আরও বলেন, ভিসার জন্য টানা প্রায় দুই মাস অপেক্ষা করেছেন। পরে জানতে পারেন, তাঁর অপেক্ষার মাঝেই টিম অন্য একজনকে নিয়ে শুটিং শুরু করেছে। এ কারণেই তিনি বাধ্য হয়ে প্রজেক্টটি থেকে সরে দাঁড়ান।
অগ্রিম টাকা ফেরত দেওয়ার বিষয়ে তিশার বক্তব্য—“চুক্তিপত্রে কোথাও লেখা নেই যে পরিচালকের ব্যর্থতার কারণে কাজ না হলে আমাকে টাকা ফেরত দিতে হবে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আদালত যদি প্রমাণ করে যে আমাকে টাকা ফেরত দিতে হবে, তাহলে অবশ্যই ফেরত দেব।”
তানজিন তিশা অভিযোগ করেন, তাদের লাইন প্রডিউসার সরিফ কখনো তার কাছে এক–তৃতীয়াংশ টাকা ফেরত দিতে বলেছেন, আবার কখনো তাঁর আইনজীবীর কাছে অন্য অঙ্ক বলেছেন। পাশাপাশি সাংবাদিকদের কাছে ভুল তথ্য ছড়িয়ে তার ক্যারিয়ার ক্ষতিগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
তিনি আরও লিখেছেন, “একটি সিনেমা আমার পেশাগত সম্মানের জায়গা। আমি কখনোই কোনো চলচ্চিত্রকে অসম্মান করিনি। ভিসা জটিলতা তাদের কারণেই হওয়ায় আমাকে বাধ্য হয়ে প্রজেক্টটি থেকে সরে আসতে হয়েছে।”
































