ঢাকা ০২:৪০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামারে’ অংশ নেয় ১২৫টির বেশি উড়োজাহাজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০১:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • / 184

'অপারেশন মিডনাইট হ্যামারে' অংশ নেয় ১২৫টির বেশি উড়োজাহাজ

ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে একটি নজিরবিহীন অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর বরাতে জানা গেছে, এই অভিযানে অংশ নেয় যুক্তরাষ্ট্রের ১২৫টিরও বেশি সামরিক উড়োজাহাজ

শনিবার মধ্যরাতের পর ইরানের ফর্দো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। অভিযানে অংশ নেয় সাতটি বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান, যেগুলো প্রতিটি দুটি করে ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের বাংকার-ধ্বংসকারী বোমা বহনে সক্ষম। এছাড়া জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার উড়োজাহাজ, নজরদারি প্লেন এবং যুদ্ধবিমানও এই অভিযানে ব্যবহৃত হয়।

অভিযান শেষে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে তিনটি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে এবং ফর্দো স্থাপনাটি ‘ধ্বংস’ হয়ে গেছে বলে দাবি করেন। একইসঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ আলোচনায় না এলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর হামলা হবে।

এদিকে ইরান হামলার বিষয়টি স্বীকার করে জানায়, এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং ‘ক্ষমার অযোগ্য’। তেহরান আরও দাবি করেছে, হামলার পূর্বাভাস থাকায় ফর্দো স্থাপনাটি আগেই খালি করে ফেলা হয়েছিল এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামারে’ অংশ নেয় ১২৫টির বেশি উড়োজাহাজ

সর্বশেষ আপডেট ০১:২৬:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে একটি নজিরবিহীন অভিযান চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর বরাতে জানা গেছে, এই অভিযানে অংশ নেয় যুক্তরাষ্ট্রের ১২৫টিরও বেশি সামরিক উড়োজাহাজ

শনিবার মধ্যরাতের পর ইরানের ফর্দো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহান পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়। অভিযানে অংশ নেয় সাতটি বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান, যেগুলো প্রতিটি দুটি করে ৩০ হাজার পাউন্ড ওজনের বাংকার-ধ্বংসকারী বোমা বহনে সক্ষম। এছাড়া জ্বালানি সরবরাহকারী ট্যাংকার উড়োজাহাজ, নজরদারি প্লেন এবং যুদ্ধবিমানও এই অভিযানে ব্যবহৃত হয়।

অভিযান শেষে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিবৃতিতে বলেন, অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে তিনটি স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে এবং ফর্দো স্থাপনাটি ‘ধ্বংস’ হয়ে গেছে বলে দাবি করেন। একইসঙ্গে তিনি ইরানকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, শান্তিপূর্ণ আলোচনায় না এলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর হামলা হবে।

এদিকে ইরান হামলার বিষয়টি স্বীকার করে জানায়, এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং ‘ক্ষমার অযোগ্য’। তেহরান আরও দাবি করেছে, হামলার পূর্বাভাস থাকায় ফর্দো স্থাপনাটি আগেই খালি করে ফেলা হয়েছিল এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও তীব্র হয়ে উঠেছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।