ঢাকা ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
তিন সহঅভিযুক্ত কারাগারে

চাঁদাবাজির মামলায় দোষ স্বীকার রিয়াদের

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 261

গুলশানে গ্রেপ্তার চাঁদাবাজ রিয়াদের কমরেড নাহিদ ইসলাম!

ঢাকার গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তার স্বীকারোক্তি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রিয়াদ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা। তার সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা—ইব্রাহিম হোসেন মুন্না, সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাবও এই মামলায় গ্রেপ্তার হন।

রিমান্ড শেষে এদিন আদালতে হাজির করা হলে রিয়াদ স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানায়। তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান এ বিষয়ে আদালতের অনুমতি চান এবং তা রেকর্ড করা হয়।

অন্যদিকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমান বাকি তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৭ জুলাই রিয়াদ ও গৌরব অপু গুলশানের বাসায় গিয়ে নিজেদের ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করেন। তারা দাবি করেন, ৫০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার না দিলে আওয়ামী লীগ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নামে গ্রেপ্তার করাবেন।

ভয়ে বাদী পক্ষ তাদের ১০ লাখ টাকা দেন। পরে ১৯ জুলাই ও ২৬ জুলাই বাকি অর্থ নিতে গেলে গুলশান থানা পুলিশ তাদের হাতেনাতে আটক করে।

এই ঘটনায় শাম্মী আহমেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর ছয়জনকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তদের সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তিন সহঅভিযুক্ত কারাগারে

চাঁদাবাজির মামলায় দোষ স্বীকার রিয়াদের

সর্বশেষ আপডেট ০৮:২৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকার গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় গিয়ে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আব্দুর রাজ্জাক রিয়াদ আদালতে দোষ স্বীকার করেছেন। রোববার (৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তার স্বীকারোক্তি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

রিয়াদ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের বহিষ্কৃত কেন্দ্রীয় নেতা। তার সঙ্গে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন নেতা—ইব্রাহিম হোসেন মুন্না, সাকাদাউন সিয়াম ও সাদমান সাদাবও এই মামলায় গ্রেপ্তার হন।

রিমান্ড শেষে এদিন আদালতে হাজির করা হলে রিয়াদ স্বেচ্ছায় জবানবন্দি দিতে সম্মতি জানায়। তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান এ বিষয়ে আদালতের অনুমতি চান এবং তা রেকর্ড করা হয়।

অন্যদিকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমান বাকি তিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৭ জুলাই রিয়াদ ও গৌরব অপু গুলশানের বাসায় গিয়ে নিজেদের ছাত্র সংগঠনের সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে চাঁদা দাবি করেন। তারা দাবি করেন, ৫০ লাখ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার না দিলে আওয়ামী লীগ ও স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের নামে গ্রেপ্তার করাবেন।

ভয়ে বাদী পক্ষ তাদের ১০ লাখ টাকা দেন। পরে ১৯ জুলাই ও ২৬ জুলাই বাকি অর্থ নিতে গেলে গুলশান থানা পুলিশ তাদের হাতেনাতে আটক করে।

এই ঘটনায় শাম্মী আহমেদের স্বামী সিদ্দিক আবু জাফর ছয়জনকে আসামি করে গুলশান থানায় মামলা করেন। গ্রেপ্তারের পর অভিযুক্তদের সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।