ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাজশাহীর বাঘায় বজ্রাঘাতে ১৩ মহিষের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫
  • / 183

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা নদীর চর এলাকায় বজ্রাঘাতে ১৩টি মহিষ মারা গেছে। শনিবার (২ আগস্ট) রাতে উপজেলার চৌমাদিয়ার বাংলা বাজার চরের বাতানবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরাজাপুর ইউনিয়নের চৌমাদিয়া চরের বাসিন্দা নবি আলী শেখ তার পালিত মহিষগুলো বাংলা বাজার চরের বাতানবাড়িতে রেখেছিলেন। রাতভর বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় বজ্রাঘাতে ১৩টি মহিষ মারা যায়।

মহিষগুলোর মালিক নবি আলী শেখ জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় তার প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। কিছুদিন আগে পদ্মায় ভাঙনের কারণে তার বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হলে তিনি চরাঞ্চলে নতুন করে একটি অস্থায়ী আশ্রয় বানিয়ে সেখানে মহিষ পালন শুরু করেন।

রাজশাহীর বাঘায় বজ্রাঘাতে ১৩ মহিষের মৃত্যু
রাজশাহীর বাঘায় বজ্রাঘাতে ১৩ মহিষের মৃত্যু

চকরাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুর রহমান বলেন, “নবি আলী শেখ প্রতিদিন মহিষগুলো চর এলাকায় চরান এবং রাতে বাতানবাড়িতে রাখেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে শনিবার রাতে বজ্রাঘাতে সবগুলো মারা যায়।”

এ ঘটনায় চরাঞ্চলের খামারিরা গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

রাজশাহীর বাঘায় বজ্রাঘাতে ১৩ মহিষের মৃত্যু

সর্বশেষ আপডেট ০৭:২৬:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ অগাস্ট ২০২৫

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পদ্মা নদীর চর এলাকায় বজ্রাঘাতে ১৩টি মহিষ মারা গেছে। শনিবার (২ আগস্ট) রাতে উপজেলার চৌমাদিয়ার বাংলা বাজার চরের বাতানবাড়ি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চকরাজাপুর ইউনিয়নের চৌমাদিয়া চরের বাসিন্দা নবি আলী শেখ তার পালিত মহিষগুলো বাংলা বাজার চরের বাতানবাড়িতে রেখেছিলেন। রাতভর বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সময় বজ্রাঘাতে ১৩টি মহিষ মারা যায়।

মহিষগুলোর মালিক নবি আলী শেখ জানান, বজ্রপাতের ঘটনায় তার প্রায় ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। কিছুদিন আগে পদ্মায় ভাঙনের কারণে তার বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হলে তিনি চরাঞ্চলে নতুন করে একটি অস্থায়ী আশ্রয় বানিয়ে সেখানে মহিষ পালন শুরু করেন।

রাজশাহীর বাঘায় বজ্রাঘাতে ১৩ মহিষের মৃত্যু
রাজশাহীর বাঘায় বজ্রাঘাতে ১৩ মহিষের মৃত্যু

চকরাজাপুর ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য আবদুর রহমান বলেন, “নবি আলী শেখ প্রতিদিন মহিষগুলো চর এলাকায় চরান এবং রাতে বাতানবাড়িতে রাখেন। দুর্ভাগ্যজনকভাবে শনিবার রাতে বজ্রাঘাতে সবগুলো মারা যায়।”

এ ঘটনায় চরাঞ্চলের খামারিরা গভীর শোক ও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার সরকারি সহায়তার দাবি জানিয়েছে।