ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামায়াত নেতার গোসলের বুদ্ধিতে মুগ্ধ রিজওয়ানা

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:১২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • / 327

জামায়াত নেতার গোসলের বুদ্ধিতে মুগ্ধ রিজওয়ানা

ঢাকার নদী, বিশেষ করে বুড়িগঙ্গা নদী পরিষ্কার রাখতে হলে মেয়রসহ রাজনীতিবিদদের বছরে অন্তত দুইবার নদীতে গোসল করতে হবে, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের এমন প্রস্তাব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “মেয়র, এমপি, ডিসি, এসপি, ডিআইজি, কমিশনার, মন্ত্রী; সবাই মিলে বছরে অন্তত দুইবার যদি নদীতে গোসল করেন, তাহলে মানুষ উৎসাহিত হবে। এতে নদীগুলো আপনাতেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

তার এই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, যেখানে অনেকেই একে ‘বাস্তবভিত্তিক’ এবং ‘সৃজনশীল’ বলে উল্লেখ করেন।

বন ও পরিবেশবিষয়ক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানও এই বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেন, “একটি পোস্ট পড়ছিলাম এখানে বসে বসে। সেখানে একটা কথা লেখা আছে, ‘ঢাকার খালগুলোতে রাজনীতিবিদ, মেয়র, ডিসিদের বছরে দুবার গোসল করার বিধান থাকলে পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে’। এটা একজন জামায়াত নেতা বলেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “এই বুদ্ধিটা কিন্তু আমার না। সম্মান রেখেই বলছি, রাজনীতিবিদরাই দেশের সমস্যার সমাধান দেবেন। আমাদের রাজনীতির প্রথা যদি সফল হতো, তাহলে আমাদের মতো নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদেরকে ক্রাইসিস মুহূর্তে মাঝখানে এসে সংযোগ তৈরি করতে হতো না। শেষমেশ সমাধানটা আসতে হবে রাজনীতিবিদদের মাধ্যমেই।”

নদী দূষণ ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা চললেও রাজনৈতিক স্তরে কার্যকর উদ্যোগ ও জনসম্পৃক্ততা বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ। এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের প্রস্তাব তাই কৌতুকের ভেতরেও এক বাস্তবধর্মী বার্তা দিচ্ছে; পরিবেশ রক্ষায় শাসক ও প্রশাসনের সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা।

এই বক্তব্য রাজনীতিবিদদের পরিবেশ-সচেতনতার অভাব, নদী ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা এবং জনগণকে উদাহরণ দিয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ের বিষয়গুলো নিয়েও নতুনভাবে ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

জামায়াত নেতার গোসলের বুদ্ধিতে মুগ্ধ রিজওয়ানা

সর্বশেষ আপডেট ১১:১২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

ঢাকার নদী, বিশেষ করে বুড়িগঙ্গা নদী পরিষ্কার রাখতে হলে মেয়রসহ রাজনীতিবিদদের বছরে অন্তত দুইবার নদীতে গোসল করতে হবে, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের এমন প্রস্তাব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছে।

শনিবার (২৬ জুলাই) রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় তিনি বলেন, “মেয়র, এমপি, ডিসি, এসপি, ডিআইজি, কমিশনার, মন্ত্রী; সবাই মিলে বছরে অন্তত দুইবার যদি নদীতে গোসল করেন, তাহলে মানুষ উৎসাহিত হবে। এতে নদীগুলো আপনাতেই পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

তার এই বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে, যেখানে অনেকেই একে ‘বাস্তবভিত্তিক’ এবং ‘সৃজনশীল’ বলে উল্লেখ করেন।

বন ও পরিবেশবিষয়ক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানও এই বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেন, “একটি পোস্ট পড়ছিলাম এখানে বসে বসে। সেখানে একটা কথা লেখা আছে, ‘ঢাকার খালগুলোতে রাজনীতিবিদ, মেয়র, ডিসিদের বছরে দুবার গোসল করার বিধান থাকলে পরিবেশ ঠিক হয়ে যাবে’। এটা একজন জামায়াত নেতা বলেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “এই বুদ্ধিটা কিন্তু আমার না। সম্মান রেখেই বলছি, রাজনীতিবিদরাই দেশের সমস্যার সমাধান দেবেন। আমাদের রাজনীতির প্রথা যদি সফল হতো, তাহলে আমাদের মতো নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদেরকে ক্রাইসিস মুহূর্তে মাঝখানে এসে সংযোগ তৈরি করতে হতো না। শেষমেশ সমাধানটা আসতে হবে রাজনীতিবিদদের মাধ্যমেই।”

নদী দূষণ ও দখল নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা আলোচনা চললেও রাজনৈতিক স্তরে কার্যকর উদ্যোগ ও জনসম্পৃক্ততা বরাবরই প্রশ্নবিদ্ধ। এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের প্রস্তাব তাই কৌতুকের ভেতরেও এক বাস্তবধর্মী বার্তা দিচ্ছে; পরিবেশ রক্ষায় শাসক ও প্রশাসনের সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজনীয়তা।

এই বক্তব্য রাজনীতিবিদদের পরিবেশ-সচেতনতার অভাব, নদী ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা এবং জনগণকে উদাহরণ দিয়ে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়ের বিষয়গুলো নিয়েও নতুনভাবে ভাবনার দরজা খুলে দিচ্ছে।