ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
উপদেষ্টা সাখাওয়াতের প্রশ্ন

ঢাকায় বিমান প্রশিক্ষণ কতটা যৌক্তিক?

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫
  • / 597

বার্ন ইউনিটে এম সাখাওয়াত হোসেন

বিমান প্রশিক্ষণ কোথায় হবে, তা নতুন করে দেখার প্রয়োজন বলে মনে করছেন নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকালে উত্তরায় প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানের দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে এসে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি এসব কথা বলেন।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য সব সংস্থা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলব, এই ধরনের ট্রেনিং কোথায় হবে, কীভাবে হবে, কোন পদ্ধতিতে হবে, তা নতুন করে পর্যালোচনা করা দরকার। ঢাকা শহর ঘনবসতিপূর্ণ। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি

তিনি আরও বলেন, বিমান নানা কারণে বিধ্বস্ত হতে পারে। এর মধ্যে প্রধান কারণ হলো পাইলট ত্রুটি এবং যান্ত্রিক সমস্যা। যদিও উড়োজাহাজগুলো পুরনো, তবে এগুলো ট্রেনিং জেট। আমার জানামতে, এগুলো পুরনো হলেও ভেতরের অ্যাম্বিয়েন্ট ও কম্পোনেন্ট আপডেট করা হয়। এখন এটার ব্ল্যাকবক্স বিশ্লেষণ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাবে না এটি যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল, না পাইলটের ভুল। পাইলট ত্রুটির কারণেও বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। যিনি বিমানটি চালাচ্ছিলেন, তিনি মারা গেছেন—এটা অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা।

হতাহতদের বিষয়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, এখানে (বার্ন ইনস্টিটিউট) ইতোমধ্যে ১০ জন মারা গেছেন। অনেকের শরীরে পোড়ার ক্ষতের পরিমাণ খুব বেশি। চিকিৎসকরা তাদের নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত। কিছু কিছু রোগী আছেন, যাদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন। সিঙ্গাপুর থেকে একটি মেডিকেল টিম আসছে। তারা রোগীদের দেখে যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আহতদের চিকিৎসায় যা যা প্রয়োজন, তার সবই করা হবে। যতজনকে বিদেশে পাঠানো সম্ভব হবে, চিকিৎসকের পরামর্শে তাদের পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করা হচ্ছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

উপদেষ্টা সাখাওয়াতের প্রশ্ন

ঢাকায় বিমান প্রশিক্ষণ কতটা যৌক্তিক?

সর্বশেষ আপডেট ১১:৩০:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ জুলাই ২০২৫

বিমান প্রশিক্ষণ কোথায় হবে, তা নতুন করে দেখার প্রয়োজন বলে মনে করছেন নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন

মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকালে উত্তরায় প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমানের দুর্ঘটনায় আহতদের দেখতে এসে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তিনি এসব কথা বলেন।

এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের কোনো দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সেজন্য সব সংস্থা এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়কে বলব, এই ধরনের ট্রেনিং কোথায় হবে, কীভাবে হবে, কোন পদ্ধতিতে হবে, তা নতুন করে পর্যালোচনা করা দরকার। ঢাকা শহর ঘনবসতিপূর্ণ। যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে ভয়াবহ ট্র্যাজেডি

তিনি আরও বলেন, বিমান নানা কারণে বিধ্বস্ত হতে পারে। এর মধ্যে প্রধান কারণ হলো পাইলট ত্রুটি এবং যান্ত্রিক সমস্যা। যদিও উড়োজাহাজগুলো পুরনো, তবে এগুলো ট্রেনিং জেট। আমার জানামতে, এগুলো পুরনো হলেও ভেতরের অ্যাম্বিয়েন্ট ও কম্পোনেন্ট আপডেট করা হয়। এখন এটার ব্ল্যাকবক্স বিশ্লেষণ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা যাবে না এটি যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল, না পাইলটের ভুল। পাইলট ত্রুটির কারণেও বিমান দুর্ঘটনা ঘটে। যিনি বিমানটি চালাচ্ছিলেন, তিনি মারা গেছেন—এটা অত্যন্ত মর্মান্তিক ঘটনা।

হতাহতদের বিষয়ে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, এখানে (বার্ন ইনস্টিটিউট) ইতোমধ্যে ১০ জন মারা গেছেন। অনেকের শরীরে পোড়ার ক্ষতের পরিমাণ খুব বেশি। চিকিৎসকরা তাদের নিয়ে গভীরভাবে চিন্তিত। কিছু কিছু রোগী আছেন, যাদের দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন। সিঙ্গাপুর থেকে একটি মেডিকেল টিম আসছে। তারা রোগীদের দেখে যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হবে।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আহতদের চিকিৎসায় যা যা প্রয়োজন, তার সবই করা হবে। যতজনকে বিদেশে পাঠানো সম্ভব হবে, চিকিৎসকের পরামর্শে তাদের পাঠানো হবে। সরকারের পক্ষ থেকে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করা হচ্ছে।