ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুয়াকাটায় ঝোপের ভেতর যুবকের লাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কুয়াকাটা
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫
  • / 296

কুয়াকাটায় ঝোপের ভেতর যুবকের লাশ

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ঝোপের ভেতর থেকে সবুজ হাওলাদার (২৩) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৪টায় কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের শরিফপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ঝোপের মধ্যে নিখোঁজের দুই দিন পর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মহিপুর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত সবুজ কুয়াকাটা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবুল বাসার হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন জেলে ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ময়না বেগম প্রতিদিনের মতো গরু চরাতে ওই পরিত্যক্ত বাগানে গেলে হঠাৎ ঝোপের মধ্যে মরদেহ দেখতে পান। তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের বোন মনিরা বলেন, “দুই দিন আগে আমার ভাই তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে চড় দেয়। এই বিষয়টি আমেনা তার বড় ভাইকে জানালে তিনি এসে আমার ভাইকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে চলে যান। এরপর ভাই ও ভাবি শ্বশুরবাড়িতে চলে যায়। আমরা ভেবেছিলাম, সবুজ শ্বশুরবাড়িতে আছে। কিন্তু আজ দেখি পরিত্যক্ত বাগানে তার লাশ।”

তবে নিহতের স্ত্রী ভিন্ন কথা বলছেন। তিনি জানান, “আমি বাবার বাড়ি যাওয়ার পরে লালচানের মোবাইল দিয়ে সবুজের সঙ্গে কথা হয়। তখন সুমন বলে, লালচানসহ আরও দুইজন সবুজের ওপর রাগ করছে—কারণ তারা নেশা করছিল, সেই ছবি সবুজ তোলে। সেই কারণেই ওরা আমার ওপর খেপে আছে। এরপর থেকে আর সবুজের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি।”

প্রত্যক্ষদর্শী বেল্লাল হোসেন বলেন, “আমি সাগরে যাচ্ছিলাম, তখন মানুষের চিৎকার শুনে কাছে গিয়ে দেখি ঝোপের মধ্যে লাশ। দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাইনি।”

এ বিষয়ে মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যা বলেই মনে হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

কুয়াকাটায় ঝোপের ভেতর যুবকের লাশ

সর্বশেষ আপডেট ০৯:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ জুলাই ২০২৫

পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ঝোপের ভেতর থেকে সবুজ হাওলাদার (২৩) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৮ জুলাই) বিকেল ৪টায় কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের শরিফপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ির ঝোপের মধ্যে নিখোঁজের দুই দিন পর মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মহিপুর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত সবুজ কুয়াকাটা পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের আবুল বাসার হাওলাদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন জেলে ছিলেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ময়না বেগম প্রতিদিনের মতো গরু চরাতে ওই পরিত্যক্ত বাগানে গেলে হঠাৎ ঝোপের মধ্যে মরদেহ দেখতে পান। তিনি চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন এসে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের বোন মনিরা বলেন, “দুই দিন আগে আমার ভাই তার স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে চড় দেয়। এই বিষয়টি আমেনা তার বড় ভাইকে জানালে তিনি এসে আমার ভাইকে বিভিন্ন রকম হুমকি দিয়ে চলে যান। এরপর ভাই ও ভাবি শ্বশুরবাড়িতে চলে যায়। আমরা ভেবেছিলাম, সবুজ শ্বশুরবাড়িতে আছে। কিন্তু আজ দেখি পরিত্যক্ত বাগানে তার লাশ।”

তবে নিহতের স্ত্রী ভিন্ন কথা বলছেন। তিনি জানান, “আমি বাবার বাড়ি যাওয়ার পরে লালচানের মোবাইল দিয়ে সবুজের সঙ্গে কথা হয়। তখন সুমন বলে, লালচানসহ আরও দুইজন সবুজের ওপর রাগ করছে—কারণ তারা নেশা করছিল, সেই ছবি সবুজ তোলে। সেই কারণেই ওরা আমার ওপর খেপে আছে। এরপর থেকে আর সবুজের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারিনি।”

প্রত্যক্ষদর্শী বেল্লাল হোসেন বলেন, “আমি সাগরে যাচ্ছিলাম, তখন মানুষের চিৎকার শুনে কাছে গিয়ে দেখি ঝোপের মধ্যে লাশ। দুর্গন্ধের কারণে কাছে যাইনি।”

এ বিষয়ে মহিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহমুদ হাসান বলেন, “প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি হত্যা বলেই মনে হচ্ছে। ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”