ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মিটফোর্ড হত্যা: রবিনের স্বীকারোক্তি, টিটনের পাঁচ দিনের রিমান্ড

সিনিয়র প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫
  • / 204

মিটফোর্ড হত্যা: রবিনের স্বীকারোক্তি, টিটনের পাঁচ দিনের রিমান্ড

রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা অস্ত্র মামলায় আসামি তারেক রহমান রবিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় অপর আসামি টিটন গাজীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১২ জুলাই) আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। রবিনের দুই দিনের রিমান্ড শেষে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হলে কোতোয়ালি থানার এসআই মো. মনির তা রেকর্ডের আবেদন করেন। অন্যদিকে, টিটন গাজীর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর নাসির উদ্দিন।

ঢাকার মহানগর হাকিম হাসিব উল্লাহ গিয়াস রবিনের জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। টিটনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

এর আগে, গত ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের তিন নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে প্রকাশ্যে মো. সোহাগকে পাথর ছুড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকায় সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক নিন্দার জন্ম দেয়।

ঘটনার পর কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা দায়ের হয়—একটি হত্যা এবং অপরটি অস্ত্র আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে। পুলিশ এ ঘটনায় মাহমুদুল হাসান মহিন ও তারেক রহমান রবিনকে গ্রেপ্তার করে। মহিনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং রবিনের রিমান্ড শেষে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন। পাথর নিক্ষেপ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে তার মৃত্যু ঘটে, যা এখন সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত একটি ঘটনা।

পুলিশ জানায়, মামলার তদন্ত চলছে এবং ঘটনায় জড়িত আরও ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

মিটফোর্ড হত্যা: রবিনের স্বীকারোক্তি, টিটনের পাঁচ দিনের রিমান্ড

সর্বশেষ আপডেট ০৪:৪৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় দায়ের করা অস্ত্র মামলায় আসামি তারেক রহমান রবিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় দায়ের হওয়া হত্যা মামলায় অপর আসামি টিটন গাজীকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

শনিবার (১২ জুলাই) আদালতে তাদের হাজির করে পুলিশ। রবিনের দুই দিনের রিমান্ড শেষে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হলে কোতোয়ালি থানার এসআই মো. মনির তা রেকর্ডের আবেদন করেন। অন্যদিকে, টিটন গাজীর সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ইন্সপেক্টর নাসির উদ্দিন।

ঢাকার মহানগর হাকিম হাসিব উল্লাহ গিয়াস রবিনের জবানবন্দি গ্রহণ করেন এবং তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। টিটনের পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

এর আগে, গত ৯ জুলাই সন্ধ্যা ৬টার দিকে হাসপাতালের তিন নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে প্রকাশ্যে মো. সোহাগকে পাথর ছুড়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনাস্থলে সিসিটিভি ক্যামেরা থাকায় সেই দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ব্যাপক নিন্দার জন্ম দেয়।

ঘটনার পর কোতোয়ালি থানায় দুটি মামলা দায়ের হয়—একটি হত্যা এবং অপরটি অস্ত্র আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে। পুলিশ এ ঘটনায় মাহমুদুল হাসান মহিন ও তারেক রহমান রবিনকে গ্রেপ্তার করে। মহিনকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে এবং রবিনের রিমান্ড শেষে আদালতে উপস্থাপন করা হয়।

নিহত মো. সোহাগ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারির ব্যবসা করতেন। পাথর নিক্ষেপ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে নির্মমভাবে তার মৃত্যু ঘটে, যা এখন সামাজিক মাধ্যমে আলোচিত একটি ঘটনা।

পুলিশ জানায়, মামলার তদন্ত চলছে এবং ঘটনায় জড়িত আরও ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।