ঢাকা ০৩:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
ক্ষমতায় গেলে

আফগানিস্তানের মতো বাংলাদেশ গড়তে চান চরমোনাই পীর

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ১০:২৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫
  • / 264

টকশোতে চরমোনাই পীর

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশে শরিয়া আইন চালু করা হবে। তিনি বলেন, “আমাদের শরিয়া, আমাদের দর্শন—সবকিছু কোরআন ও হাদিসেই রয়েছে।”

‘ঠিকানা’ টকশোতে সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীনের এক প্রশ্নের উত্তরে ফয়জুল করীম বলেন, “আফগানিস্তানে শরিয়া বেশি অনুসরণ করা হচ্ছে। আমি চাই বাংলাদেশকেও সে রকম বানাতে।”

ইরানের শাসনব্যবস্থার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক নয়—এমন ভালো দিকগুলো গ্রহণ করা হবে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়ার শরিয়াবিরোধী নয় এমন ইতিবাচক দিকও বিবেচনায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, শরিয়া চালু হলে সংখ্যালঘুরাও অধিকার পাবে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা একাধিক সমাবেশে একত্রে অংশ নিচ্ছেন। একসময় জামায়াত সম্পর্কে কড়া সমালোচনামূলক মন্তব্য করা ফয়জুল করীম বলেন, “পুরনো বক্তব্য থেকে সরিনি, সমঝোতা মানেই আদর্শ বিসর্জন নয়।”

বিএনপিকে সমাবেশে দাওয়াত না দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “পিআর (আনুপাতিক ভোটদান) পদ্ধতির বিষয়ে একমত না হওয়ায় বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।”

মাজারভাঙা প্রবণতা প্রসঙ্গে ফয়জুল করীম বলেন, “মাজার ভাঙা ঠিক নয়। কেউ সেজদা দিলে তাকে বুঝিয়ে বিরত রাখতে হবে। বরং সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে ফিরে আসতে হবে এ ধরনের কাজ থেকে।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

ক্ষমতায় গেলে

আফগানিস্তানের মতো বাংলাদেশ গড়তে চান চরমোনাই পীর

সর্বশেষ আপডেট ১০:২৩:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি চরমোনাই পীর সৈয়দ মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারলে দেশে শরিয়া আইন চালু করা হবে। তিনি বলেন, “আমাদের শরিয়া, আমাদের দর্শন—সবকিছু কোরআন ও হাদিসেই রয়েছে।”

‘ঠিকানা’ টকশোতে সাংবাদিক খালেদ মুহিউদ্দীনের এক প্রশ্নের উত্তরে ফয়জুল করীম বলেন, “আফগানিস্তানে শরিয়া বেশি অনুসরণ করা হচ্ছে। আমি চাই বাংলাদেশকেও সে রকম বানাতে।”

ইরানের শাসনব্যবস্থার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক নয়—এমন ভালো দিকগুলো গ্রহণ করা হবে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও রাশিয়ার শরিয়াবিরোধী নয় এমন ইতিবাচক দিকও বিবেচনায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, শরিয়া চালু হলে সংখ্যালঘুরাও অধিকার পাবে এবং তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা হবে।

সাম্প্রতিক সময়ে ইসলামী আন্দোলন ও জামায়াতে ইসলামীর নেতারা একাধিক সমাবেশে একত্রে অংশ নিচ্ছেন। একসময় জামায়াত সম্পর্কে কড়া সমালোচনামূলক মন্তব্য করা ফয়জুল করীম বলেন, “পুরনো বক্তব্য থেকে সরিনি, সমঝোতা মানেই আদর্শ বিসর্জন নয়।”

বিএনপিকে সমাবেশে দাওয়াত না দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, “পিআর (আনুপাতিক ভোটদান) পদ্ধতির বিষয়ে একমত না হওয়ায় বিএনপিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।”

মাজারভাঙা প্রবণতা প্রসঙ্গে ফয়জুল করীম বলেন, “মাজার ভাঙা ঠিক নয়। কেউ সেজদা দিলে তাকে বুঝিয়ে বিরত রাখতে হবে। বরং সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে ফিরে আসতে হবে এ ধরনের কাজ থেকে।”