ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দুদকের অনুসন্ধানে এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তা

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • / 162

দুদকের নজরে এনবিআরের ৬ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক কমিশনারসহ আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ নিয়ে এনবিআরের মোট ১৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে কমিশন।

দুদকের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে তারা হলেন:

কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন – কমিশনার, ঢাকা পূর্ব (কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট)

মো. কামরুজ্জামান – কমিশনার, বেনাপোল স্থলবন্দর

মো. মামুন মিয়া – উপ কর কমিশনার

সেহেলা সিদ্দিকা – অতিরিক্ত কর কমিশনার (আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট)

লোকমান আহমেদ – কর পরিদর্শক, কর অঞ্চল-২

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঘুষের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া এবং কর নির্ধারণে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি ঘটানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ঘুষ না পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা মামলা করেও হয়রানি করা হয়েছে অনেক করদাতাকে।

এই পাঁচ কর্মকর্তার মধ্যে কয়েকজন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সেহেলা সিদ্দিকা আন্দোলনের সময় ঐক্য পরিষদের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এর আগের দিন (২ জুলাই) একই ধরনের অভিযোগে আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়। তারা হলেন:

আব্দুল রশীদ মিয়া – অতিরিক্ত কমিশনার

লুতফুল আজীম – এনবিআরের সদস্য

মো. শিহাবুল ইসলাম – উপ কর কমিশনার

মো. তারেক হাছান – যুগ্ম কমিশনার

মো. আলমগীর হোসেন – সিআইসির সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক

এরও আগে, ২৯ জুন দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয় এনবিআরের আরও ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। যাদের মধ্যে অধিকাংশই এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের নেতৃত্বে ছিলেন।

তাদের নাম:

এ কে এম বদিউল আলম – সদস্য (আয়কর নীতি)

মির্জা আশিক রানা – অতিরিক্ত কর কমিশনার

মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান – যুগ্ম কর কমিশনার

মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা – যুগ্ম কর কমিশনার

হাছান তারেক রিকাবদার – অতিরিক্ত কমিশনার

সাধন কুমার কুন্ডু – অতিরিক্ত কমিশনার

প্রসঙ্গত, এনবিআর বিলুপ্ত করে সরকার গত ১২ মে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। এর প্রতিবাদে ‘সংস্কার ঐক্য পরিষদ’ ব্যানারে এনবিআরের একাংশ শাটডাউন, কর্মবিরতি ও পদযাত্রার মতো আন্দোলনে নামে। পরে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস পেয়ে ২৯ জুন তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়। তবে এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনকারীরা এখনও অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

দুদকের অনুসন্ধানে এনবিআরের আরও ৫ কর্মকর্তা

সর্বশেষ আপডেট ০৭:০৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) এক কমিশনারসহ আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এ নিয়ে এনবিআরের মোট ১৭ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে কমিশন।

দুদকের সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান চলছে তারা হলেন:

কাজী মোহাম্মদ জিয়াউদ্দিন – কমিশনার, ঢাকা পূর্ব (কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট)

মো. কামরুজ্জামান – কমিশনার, বেনাপোল স্থলবন্দর

মো. মামুন মিয়া – উপ কর কমিশনার

সেহেলা সিদ্দিকা – অতিরিক্ত কর কমিশনার (আয়কর গোয়েন্দা ইউনিট)

লোকমান আহমেদ – কর পরিদর্শক, কর অঞ্চল-২

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ঘুষের বিনিময়ে করদাতাদের কর ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া এবং কর নির্ধারণে অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ফাঁকি ঘটানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ঘুষ না পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা মামলা করেও হয়রানি করা হয়েছে অনেক করদাতাকে।

এই পাঁচ কর্মকর্তার মধ্যে কয়েকজন এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। সেহেলা সিদ্দিকা আন্দোলনের সময় ঐক্য পরিষদের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এর আগের দিন (২ জুলাই) একই ধরনের অভিযোগে আরও পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু হয়। তারা হলেন:

আব্দুল রশীদ মিয়া – অতিরিক্ত কমিশনার

লুতফুল আজীম – এনবিআরের সদস্য

মো. শিহাবুল ইসলাম – উপ কর কমিশনার

মো. তারেক হাছান – যুগ্ম কমিশনার

মো. আলমগীর হোসেন – সিআইসির সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিচালক

এরও আগে, ২৯ জুন দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধান শুরু হয় এনবিআরের আরও ছয় কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। যাদের মধ্যে অধিকাংশই এনবিআর সংস্কার ঐক্য পরিষদের নেতৃত্বে ছিলেন।

তাদের নাম:

এ কে এম বদিউল আলম – সদস্য (আয়কর নীতি)

মির্জা আশিক রানা – অতিরিক্ত কর কমিশনার

মোহাম্মদ মোরশেদ উদ্দীন খান – যুগ্ম কর কমিশনার

মোনালিসা শাহরীন সুস্মিতা – যুগ্ম কর কমিশনার

হাছান তারেক রিকাবদার – অতিরিক্ত কমিশনার

সাধন কুমার কুন্ডু – অতিরিক্ত কমিশনার

প্রসঙ্গত, এনবিআর বিলুপ্ত করে সরকার গত ১২ মে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। এর প্রতিবাদে ‘সংস্কার ঐক্য পরিষদ’ ব্যানারে এনবিআরের একাংশ শাটডাউন, কর্মবিরতি ও পদযাত্রার মতো আন্দোলনে নামে। পরে সরকারের পক্ষ থেকে আশ্বাস পেয়ে ২৯ জুন তারা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়। তবে এনবিআর চেয়ারম্যানের অপসারণ দাবিতে আন্দোলনকারীরা এখনও অনড় অবস্থানে রয়েছেন।