ঢাকা ০৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
অভিযোগ আনলেন টিউলিপ

ব্রিটিশ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছেন ড. ইউনূস ও দুদক

নিউজ ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৯:১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • / 231

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবং ব্রিটিশ সংসদ সদস্য টিউলিপ সিদ্দিক অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ব্রিটিশ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছেন। সোমবার (২৩ জুন) ইউনূস ও দুদকের বিরুদ্ধে পাঠানো একটি উকিল নোটিশে তিনি বলেন, এসব কার্যক্রমের লক্ষ্য তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা।

ব্রিটেনের আইনি প্রতিষ্ঠান ‘স্টেফেনসন হারউড এলএলপি’-এর মাধ্যমে পাঠানো ওই নোটিশে বলা হয়, টিউলিপের নির্বাচনী এলাকা, রাজনৈতিক দল এবং দেশসেবার কর্মকাণ্ডে বিঘ্ন ঘটানোর উদ্দেশ্যেই এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগে ১৮ মার্চ ও ১৫ এপ্রিল দুদক চেয়ারম্যান এবং কমিশনারদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। ৪ জুন পাঠানো হয় একটি চিঠি অধ্যাপক ইউনূস বরাবর। তবে এসব চিঠির কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

নোটিশে বলা হয়, “টিউলিপ সিদ্দিক একটি পরিকল্পিত প্রচারণার শিকার। যার পেছনে রয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও দুদক। প্রতিটি অভিযোগ যে ভিত্তিহীন— তা আমাদের চিঠিপত্রে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।”

টিউলিপের দাবি, ইউনূসের সাম্প্রতিক লন্ডন সফরের সময় তিনি হাউস অব কমন্সে এক বৈঠকের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল দুদকের অভিযোগ নিয়ে সরাসরি আলোচনা। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও শেষ পর্যন্ত ইউনূস সাক্ষাৎ করেননি।

এবার টিউলিপ সিদ্দিককে দুদকে তলব
টিউলিপ সিদ্দিককে দুদকে তলব

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, “টিউলিপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে ইউনূস দুদকের আড়ালে অবস্থান নেন। এটি প্রমাণ করে যে, তার অভিযোগের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।”

বিবিসি রেডিওতে দেওয়া ইউনূসের এক সাক্ষাৎকারেরও সমালোচনা করা হয় নোটিশে। যেখানে তিনি বলেন, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং তাই তিনি এতে হস্তক্ষেপ করতে চান না। নোটিশে বলা হয়, “যুক্তরাজ্যের একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে তথ্য যাচাই করা উচিত ছিল। তদন্ত চলমান অবস্থায় এমন মন্তব্য করা দায়িত্বহীন।”

টিউলিপ মনে করেন, ইউনূস তার সঙ্গে সাক্ষাৎ না করার মাধ্যমে নিজের দায় এড়াতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা। ইউনূস সরাসরি আলোচনার সুযোগ পেয়েও সাড়া দেননি।”

উকিল নোটিশের শেষ অংশে বলা হয়, “আমাদের আগের চিঠিগুলোর যথাযথ জবাব যদি ৩০ জুনের মধ্যে না দেওয়া হয়, তবে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তিসঙ্গতভাবে ধরে নেবেন— এই বিষয়টি এখানেই শেষ হয়েছে।”

 

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

অভিযোগ আনলেন টিউলিপ

ব্রিটিশ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছেন ড. ইউনূস ও দুদক

সর্বশেষ আপডেট ০৯:১২:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রতিমন্ত্রী এবং ব্রিটিশ সংসদ সদস্য টিউলিপ সিদ্দিক অভিযোগ করেছেন, বাংলাদেশে নিযুক্ত প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ব্রিটিশ রাজনীতিতে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছেন। সোমবার (২৩ জুন) ইউনূস ও দুদকের বিরুদ্ধে পাঠানো একটি উকিল নোটিশে তিনি বলেন, এসব কার্যক্রমের লক্ষ্য তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা।

ব্রিটেনের আইনি প্রতিষ্ঠান ‘স্টেফেনসন হারউড এলএলপি’-এর মাধ্যমে পাঠানো ওই নোটিশে বলা হয়, টিউলিপের নির্বাচনী এলাকা, রাজনৈতিক দল এবং দেশসেবার কর্মকাণ্ডে বিঘ্ন ঘটানোর উদ্দেশ্যেই এসব ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে। এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগে ১৮ মার্চ ও ১৫ এপ্রিল দুদক চেয়ারম্যান এবং কমিশনারদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছিল। ৪ জুন পাঠানো হয় একটি চিঠি অধ্যাপক ইউনূস বরাবর। তবে এসব চিঠির কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।

নোটিশে বলা হয়, “টিউলিপ সিদ্দিক একটি পরিকল্পিত প্রচারণার শিকার। যার পেছনে রয়েছেন বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও দুদক। প্রতিটি অভিযোগ যে ভিত্তিহীন— তা আমাদের চিঠিপত্রে স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।”

টিউলিপের দাবি, ইউনূসের সাম্প্রতিক লন্ডন সফরের সময় তিনি হাউস অব কমন্সে এক বৈঠকের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন, যার উদ্দেশ্য ছিল দুদকের অভিযোগ নিয়ে সরাসরি আলোচনা। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তর চিঠি পাওয়ার কথা স্বীকার করলেও শেষ পর্যন্ত ইউনূস সাক্ষাৎ করেননি।

এবার টিউলিপ সিদ্দিককে দুদকে তলব
টিউলিপ সিদ্দিককে দুদকে তলব

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, “টিউলিপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করে ইউনূস দুদকের আড়ালে অবস্থান নেন। এটি প্রমাণ করে যে, তার অভিযোগের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে।”

বিবিসি রেডিওতে দেওয়া ইউনূসের এক সাক্ষাৎকারেরও সমালোচনা করা হয় নোটিশে। যেখানে তিনি বলেন, বিষয়টি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে এবং তাই তিনি এতে হস্তক্ষেপ করতে চান না। নোটিশে বলা হয়, “যুক্তরাজ্যের একজন জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার আগে তথ্য যাচাই করা উচিত ছিল। তদন্ত চলমান অবস্থায় এমন মন্তব্য করা দায়িত্বহীন।”

টিউলিপ মনে করেন, ইউনূস তার সঙ্গে সাক্ষাৎ না করার মাধ্যমে নিজের দায় এড়াতে চেয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো মিথ্যা। ইউনূস সরাসরি আলোচনার সুযোগ পেয়েও সাড়া দেননি।”

উকিল নোটিশের শেষ অংশে বলা হয়, “আমাদের আগের চিঠিগুলোর যথাযথ জবাব যদি ৩০ জুনের মধ্যে না দেওয়া হয়, তবে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তিসঙ্গতভাবে ধরে নেবেন— এই বিষয়টি এখানেই শেষ হয়েছে।”