ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ

শরণার্থী জীবন চাই না, মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক (উখিয়া ও টেকনাফ)
  • সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / 150

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ

“আমরা শরণার্থী জীবন চাই না। নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই। আমাদের দাবিগুলো পূরণে মিয়ানমার যাতে বাধ্য হয়, সে জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”

শুক্রবার দুপুর আড়াই টার দিকে বিশ্ব শরণার্থী দিবস সামনে রেখে উখিয়া কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘নো মোর রিফিউজি লাইফ ’ কর্মসূচির আওতায় মহাসমাবেশে এসব কথা বলেন রোহিঙ্গা নেতারা। এছাড়া উখিয়ার বালুখালী ১২ নম্বর ক্যাম্পসহ কয়েকটি ক্যাম্পেও এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বৃষ্টি উপেক্ষা করে নারী, শিশু-কিশোরসহ হাজার রোহিঙ্গা শ্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশে অংশ নেয়। সমাবেশে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে মাঠে তৎপর ছিল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

কুতুপালং সমাবেশে বক্তব্য দেন উখিয়া কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চেয়ারম্যান আবদুল মাজেদ, এক্টিভিটিস ইউনুছ আরমান ও নারী নেত্রী আজমা বেগম প্রমুখ।

শরণার্থী জীবন চাই না, মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই
শরণার্থী জীবন চাই না, মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই

সমাবেশে কুতুপালং রোহিঙ্গা এক্টিভিটিস ইউনুছ আরমান বলেন, “মিয়ানমার আমাদের দেশ। আমরা নিজের দেশে ফিরে যেতে চাই। আমরা নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের ৩৩ বছর ক্যাম্প জীবন পার করছি। আমরা আর রিফিউজি জীবন চাই না। বিশ্বের কাছে দাবি জানাচ্ছি যাতে দ্রুত আমাদের একটা সুষ্ঠু সমাধানের পথ বের হয়।”

রোহিঙ্গা কমিটি পিস অ্যান্ড রিপ্যাট্রিয়েশন (আরসিপিআর) নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “আমরা এই শরণার্থী জীবন আর চাই না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাচ্ছি — আমাদের দাবিগুলো মানতে মিয়ানমারকে বাধ্য করে স্বদেশে ফিরে যেতে সহায়তা করুন। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং এ দেশের আইন মানতে রোহিঙ্গাদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।”

১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন বলেন, “দুপুরের পর আমার এলাকার কয়েকটি ক্যাম্পে বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে রোহিঙ্গারা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করেছে। তাঁরা (রোহিঙ্গারা) নিজ দেশে ফিরে বিশ্বের কাছে দাবি তুলেন।”

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে সমাবেশ

শরণার্থী জীবন চাই না, মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই

সর্বশেষ আপডেট ০৭:৪৫:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

“আমরা শরণার্থী জীবন চাই না। নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই। আমাদের দাবিগুলো পূরণে মিয়ানমার যাতে বাধ্য হয়, সে জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।”

শুক্রবার দুপুর আড়াই টার দিকে বিশ্ব শরণার্থী দিবস সামনে রেখে উখিয়া কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ‘নো মোর রিফিউজি লাইফ ’ কর্মসূচির আওতায় মহাসমাবেশে এসব কথা বলেন রোহিঙ্গা নেতারা। এছাড়া উখিয়ার বালুখালী ১২ নম্বর ক্যাম্পসহ কয়েকটি ক্যাম্পেও এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বৃষ্টি উপেক্ষা করে নারী, শিশু-কিশোরসহ হাজার রোহিঙ্গা শ্লোগানসংবলিত প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে সমাবেশে অংশ নেয়। সমাবেশে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে মাঠে তৎপর ছিল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

কুতুপালং সমাবেশে বক্তব্য দেন উখিয়া কুতুপালং নিবন্ধিত রোহিঙ্গা ক্যাম্পের চেয়ারম্যান আবদুল মাজেদ, এক্টিভিটিস ইউনুছ আরমান ও নারী নেত্রী আজমা বেগম প্রমুখ।

শরণার্থী জীবন চাই না, মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই
শরণার্থী জীবন চাই না, মিয়ানমারে ফিরে যেতে চাই

সমাবেশে কুতুপালং রোহিঙ্গা এক্টিভিটিস ইউনুছ আরমান বলেন, “মিয়ানমার আমাদের দেশ। আমরা নিজের দেশে ফিরে যেতে চাই। আমরা নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের ৩৩ বছর ক্যাম্প জীবন পার করছি। আমরা আর রিফিউজি জীবন চাই না। বিশ্বের কাছে দাবি জানাচ্ছি যাতে দ্রুত আমাদের একটা সুষ্ঠু সমাধানের পথ বের হয়।”

রোহিঙ্গা কমিটি পিস অ্যান্ড রিপ্যাট্রিয়েশন (আরসিপিআর) নেতা দিল মোহাম্মদ বলেন, “আমরা এই শরণার্থী জীবন আর চাই না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাচ্ছি — আমাদের দাবিগুলো মানতে মিয়ানমারকে বাধ্য করে স্বদেশে ফিরে যেতে সহায়তা করুন। বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান এবং এ দেশের আইন মানতে রোহিঙ্গাদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।”

১৪ এপিবিএনের অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মোহাম্মদ সিরাজ আমীন বলেন, “দুপুরের পর আমার এলাকার কয়েকটি ক্যাম্পে বিশ্ব শরণার্থী দিবস উপলক্ষে রোহিঙ্গারা শান্তিপূর্ণভাবে শেষ করেছে। তাঁরা (রোহিঙ্গারা) নিজ দেশে ফিরে বিশ্বের কাছে দাবি তুলেন।”