ইসরায়েলে নেমেছে অস্ত্রবাহী মার্কিন ও জার্মান বিমান
- সর্বশেষ আপডেট ০৭:২১:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
- / 165
ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় ঘাটতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে ইরানের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার কারণে। দেশটির ‘আয়রন ডোম’ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর না থাকায় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র একের পর এক আঘাত করছে মূল ভূখণ্ডে। এ অবস্থায় ইসরায়েলের পাশে দাঁড়িয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি। এই দুই দেশের সামরিক কার্গো বিমানে করে অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ করা হচ্ছে ইসরায়েলে।
শুক্রবার (২০ জুন) আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলো জানায়, চলমান সংঘাতের মধ্যে অন্তত ১৪টি সামরিক বিমান ইসরায়েলে পৌঁছেছে। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব বিমান যুদ্ধসামগ্রী ও লজিস্টিক সহায়তা বহন করছে। এই সরঞ্জামগুলো দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে সংঘাতকালীন প্রস্তুতিতে সহায়তা করবে।
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের বিরুদ্ধে ১৩ জুন শুরু হওয়া অভিযানের পর থেকেই সমুদ্র ও আকাশপথে সহযোগিতার এই চ্যানেল চালু রয়েছে। শুধু চলমান সংঘাতে নয়, গাজায় ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর শুরু হওয়া আগ্রাসনের পর থেকে এখন পর্যন্ত ৮০০টিরও বেশি সামরিক বিমান ইসরায়েলে সরঞ্জাম পৌঁছে দিয়েছে।
তবে ঠিক কী ধরনের অস্ত্র বা সরঞ্জাম আনা হয়েছে, সে বিষয়ে কোনো পক্ষই বিস্তারিত কিছু জানায়নি। যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির তরফ থেকেও এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য আসেনি।
উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে ইসরায়েল-ইরানের মধ্যে নতুন করে উত্তেজনা শুরু হয়। ইসরায়েল প্রথমে ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনায় বিমান হামলা চালায়। পাল্টা জবাবে ইরানও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনে ইসরায়েলে হামলা চালায়।
এই সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলে অন্তত ২৫ জনের মৃত্যু ও শতাধিক মানুষ আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। অপরদিকে ইরানের গণমাধ্যম জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় তাদের অন্তত ৬৩৯ জন নিহত ও ১,৩০০’র বেশি মানুষ আহত হয়েছে।
































