দেশে ফেরা নিয়ে বিবিসি বাংলার প্রতিবেদন
নিরাপত্তা শঙ্কা ও নির্বাচনী কৌশলের সমীকরণে তারেক রহমান
- সর্বশেষ আপডেট ০৬:০১:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
- / 171
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার গুঞ্জন নতুন করে জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি লন্ডনে বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর বিষয়টি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে। যদিও এখনো তার ফেরার নির্দিষ্ট তারিখ বা পরিকল্পনা জানানো হয়নি।
বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তারেক রহমান অধিকাংশ মামলায় অব্যাহতি পেয়েছেন। এমনকি ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলায়ও তিনি খালাস পান। সরকারের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, তার দেশে ফেরার পথে কোনো আইনি বাধা নেই।
তবে কেন তিনি ফিরছেন না?
দলীয় সূত্র বলছে, ২০২৫ সালের মধ্যেই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন এবং দলের নেতৃত্ব দেবেন। তার নির্বাচনী উপদেষ্টা মাহদী আমিন বলেন, “তিনি নির্বাচনের আগেই দেশে ফিরবেন, সময় নির্ধারণ করবেন নিজের কৌশল অনুযায়ী।”
তবে তার দেশে না ফেরার পেছনে বড় কারণ হিসেবে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা সামনে আনা হয়েছে। তার আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বলেন, “আইনি বাধা না থাকলেও একজন শীর্ষ নেতার নিরাপত্তা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।” তার মতে, দেশে ফেরার জন্য শুধু আইন নয়, নিরাপদ পরিবেশও নিশ্চিত করতে হবে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ মনে করেন, “বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসার সংস্কৃতি আছে। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা অমূলক নয়।” তিনি বলেন, “নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত হলে তারেক রহমানের দেশে ফেরা অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে উঠবে।”
প্রস্তুতি চলছে ঢাকায়
বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা জানিয়েছেন, তারেক রহমান ঢাকায় কোথায় থাকবেন, সে বিষয়েও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে একটি বাসা প্রস্তুত রাখা হয়েছে এবং সেখানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ প্রহরাও রয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষণে বলা হচ্ছে, দেশে পরিস্থিতি অনুকূল হলে তারেক রহমান ২০২৫ সালের মধ্যেই ফিরবেন। অনেকের ধারণা, দেশে ফিরে তিনি কেবল দলের হাল ধরবেন না, আগামী নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদেও নিজেকে প্রস্তুত করছেন।
































