ঢাকা ০৩:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তেহরানের আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি ইসরায়েলের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  • সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 213

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফরিন

ইরানের রাজধানী তেহরানের আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সোমবার (১৬ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে আইডিএফ-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফরিন এ তথ্য জানান।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি ও টাইমস অব ইসরায়েল এই খবর নিশ্চিত করেছে।

ব্রিগেডিয়ার ডেফরিন বলেন, “আমরা তেহরানের আকাশে সম্পূর্ণ বিমান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছি। ইরানের এক-তৃতীয়াংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, ইসরায়েলের উপর ইরানের হামলার বড় অংশ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

আইডিএফ-এর তথ্যমতে, রবিবার রাত ও সোমবার ভোরে দুই ধাপে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ৬৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ডজনখানেক ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়। এগুলোর বেশিরভাগ মাঝপথেই ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও তিনটি আঘাতে অন্তত আটজন নিহত হন।

ডেফরিন জানান, “ইরান ওই রাতে আরও দ্বিগুণ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু ইসরায়েলি বিমানবাহিনী আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। তারা ইরানের অভ্যন্তরে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যেগুলো তখনও উৎক্ষেপণ করা হয়নি।”

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন যৌথভাবে ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। এসব হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র গুদাম, নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও সেনাদের অবস্থান। ইরানের ইস্পাহান শহরের শতাধিক সামরিক স্থাপনাও ছিল টার্গেটে।

আইডিএফ দাবি করেছে, চলমান এই সংঘাতে ইসরায়েল এখন পর্যন্ত ১২০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করেছে। যা ইরানের মোট লঞ্চারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

তবে এই দাবি সম্পর্কে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

তেহরানের আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণের দাবি ইসরায়েলের

সর্বশেষ আপডেট ০৬:২৭:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

ইরানের রাজধানী তেহরানের আকাশসীমায় পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি করেছে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সোমবার (১৬ জুন) এক সংবাদ সম্মেলনে আইডিএফ-এর মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডেফরিন এ তথ্য জানান।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম বিবিসি ও টাইমস অব ইসরায়েল এই খবর নিশ্চিত করেছে।

ব্রিগেডিয়ার ডেফরিন বলেন, “আমরা তেহরানের আকাশে সম্পূর্ণ বিমান নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছি। ইরানের এক-তৃতীয়াংশ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে।” তিনি আরও জানান, ইসরায়েলের উপর ইরানের হামলার বড় অংশ প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

আইডিএফ-এর তথ্যমতে, রবিবার রাত ও সোমবার ভোরে দুই ধাপে ইরান থেকে ইসরায়েলের দিকে ৬৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ডজনখানেক ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়। এগুলোর বেশিরভাগ মাঝপথেই ভূপাতিত করা সম্ভব হলেও তিনটি আঘাতে অন্তত আটজন নিহত হন।

ডেফরিন জানান, “ইরান ওই রাতে আরও দ্বিগুণ ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু ইসরায়েলি বিমানবাহিনী আগে থেকেই প্রস্তুত ছিল। তারা ইরানের অভ্যন্তরে ২০টি ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যেগুলো তখনও উৎক্ষেপণ করা হয়নি।”

ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর দাবি, প্রায় ৫০টি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন যৌথভাবে ইরানের সামরিক স্থাপনাগুলোতে হামলা চালায়। এসব হামলার মূল লক্ষ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র গুদাম, নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র ও সেনাদের অবস্থান। ইরানের ইস্পাহান শহরের শতাধিক সামরিক স্থাপনাও ছিল টার্গেটে।

আইডিএফ দাবি করেছে, চলমান এই সংঘাতে ইসরায়েল এখন পর্যন্ত ১২০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার ধ্বংস করেছে। যা ইরানের মোট লঞ্চারের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ।

তবে এই দাবি সম্পর্কে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।