ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সাভারে সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর ও ছিনতাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার
  • সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / 536

সাভারে সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর ও ছিনতাই

ঢাকার সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নে এক সাবেক ইউপি সদস্যের উপর প্রকাশ্যে হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মির্জা ফজল (৪৫) জানান, গত ৫ জুন বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আলী আহম্মেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের রাস্তায় তাকে লোহার পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয় এবং তার সঙ্গে থাকা কোরবানির গরু কেনার জন্য রাখা ৫৭,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিশুদের চলাচলের রাস্তা উন্নয়নের কাজ বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের নিয়ে প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেওয়ায় এই হামলা চালানো হয়। অভিযোগে তিনি বলেন, এই হামলার পরিকল্পনায় ছিলেন মো. সাজু আহম্মেদ কাল্লু (৫৫), আর হামলা চালান মো. পলাশ (৪৭), মো. আজিজ (৬৫), মো. শাহাদাৎ (৩৮), মো. সজল (৩৯) ও মো. রফিক (৪৫)।

মির্জা ফজল দাবি করেন, তাদের সাথে পূর্ব শত্রুতা ছিল এবং ভবিষ্যতেও তার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি শঙ্কিত। তিনি ইতোমধ্যে সাভার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাজু আহম্মেদ কাল্লু বলেন, “মির্জা ফজল যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।”

এদিকে, এলাকাবাসীরা এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে।

এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

সাভারে সাবেক ইউপি সদস্যকে মারধর ও ছিনতাই

সর্বশেষ আপডেট ০৩:৪৯:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ঢাকার সাভারের কাউন্দিয়া ইউনিয়নে এক সাবেক ইউপি সদস্যের উপর প্রকাশ্যে হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই সদস্যকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী মির্জা ফজল (৪৫) জানান, গত ৫ জুন বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে আলী আহম্মেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের রাস্তায় তাকে লোহার পাইপ ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয় এবং তার সঙ্গে থাকা কোরবানির গরু কেনার জন্য রাখা ৫৭,০০০ টাকা ছিনিয়ে নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, বিদ্যালয়ের শিশুদের চলাচলের রাস্তা উন্নয়নের কাজ বন্ধ থাকায় স্থানীয়দের নিয়ে প্রতিবাদে নেতৃত্ব দেওয়ায় এই হামলা চালানো হয়। অভিযোগে তিনি বলেন, এই হামলার পরিকল্পনায় ছিলেন মো. সাজু আহম্মেদ কাল্লু (৫৫), আর হামলা চালান মো. পলাশ (৪৭), মো. আজিজ (৬৫), মো. শাহাদাৎ (৩৮), মো. সজল (৩৯) ও মো. রফিক (৪৫)।

মির্জা ফজল দাবি করেন, তাদের সাথে পূর্ব শত্রুতা ছিল এবং ভবিষ্যতেও তার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে তিনি শঙ্কিত। তিনি ইতোমধ্যে সাভার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাজু আহম্মেদ কাল্লু বলেন, “মির্জা ফজল যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।”

এদিকে, এলাকাবাসীরা এ ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানান, এলাকায় সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে। তারা দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগটি তদন্তাধীন রয়েছে।